শীর্ষ দুই পদপ্রত্যাশী ৩১০ প্রার্থী

ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ ছাত্রলীগের সম্মেলন চলছে

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ শাখার যৌথ সম্মেলন চলছে। শুক্রবার (২ ডিসেম্বর) সোয়া ১১টায় রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সম্মেলন শুরু হয়। দুই কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে তিন শতাধিক আগ্রহী জীবনবৃত্তান্ত জমা দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

সম্মেলনে যোগ দিতে সকাল ৯টা থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আসেন ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এ সময় বিভিন্ন রঙের টি-শার্ট পরে সম্মেলনে এসেছেন কর্মী-সমর্থকরা। নেতাদের নামে স্লোগান দিতে দেখা যায় অনুসারীদের। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সম্মেলনস্থলে বাড়তে থাকে উপস্থিতির সংখ্যাও।

আওয়ামী লীগের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা সম্মেলনের মঞ্চে আসলে বেলা সোয়া ১১টায় শুরু হয় ছাত্রলীগের সম্মেলন। জাতীয় সংগীতের সঙ্গে জাতীয় পতাকা এবং সংগঠনের পতাকা উত্তোলন করা হয়। পরিবেশিত হয় ছাত্রলীগের দলীয় সংগীত, আকাশে উড়ানো হয় শান্তির প্রতীক পায়রা।317923985_477753241121451_7237621150129532228_n

পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত, গীতা ও ত্রিপিটক পাঠ করা হয় সম্মেলনের শুরুতে। বিভিন্ন সময়ের আন্দোলনে প্রাণ হারানো ব্যক্তিদের স্মরণে এক মিনিট দাঁড়িয়ে নীরবতা পালন করা হয় সম্মেলনে।

ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতা জানিয়েছেন, দক্ষিণে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হয়েছেন ১৬০ নেতা এবং উত্তরে এই দুই পদে প্রায় দেড় শ নেতা ফরম সংগ্রহ করেছেন। সব মিলিয়ে দুই কমিটির জন্য মোট ৩১০ জন ফরম কিনেছেন।

এর আগে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের সম্মেলন হয়েছিল ২০১৮ সালের ২৫ এপ্রিল। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, মহানগর কমিটির মেয়াদ এক বছর হলেও এতদিন পর্যন্ত তা বহাল ছিল।

গত ২১ নভেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে ৩০তম জাতীয় সম্মেলনের আয়োজন ও প্রস্তুতি উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ঢাকার দুই শাখার সম্মেলনের তারিখ ঘোষণা করেন ছাত্রলীগের সভাপতি আল-নাহিয়ান খান জয়। তারপরই সম্মেলনকে ঘিরে উজ্জীবিত হন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা, সক্রিয় হন পদপ্রত্যাশীরা। কমিটিতে পছন্দ অনুযায়ী স্থান পেতে দৌড়ঝাঁপ করে চলেছেন ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ ছাত্রলীগের নেতারা।

পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী ঢাকা মহানগরের দুই শাখার সম্মেলনের পরদিন (৩ ডিসেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শাখার সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলায় হবে এই সম্মেলন। আগামী ৬ ডিসেম্বর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিত হবে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের ৩০তম সম্মেলন। গত ২৭ নভেম্বর এ তথ্য নিশ্চিত করেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।