ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘ইউনূস সেন্টার কর্তৃপক্ষ সম্মেলনের বিষয়টি অবহিত করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পুলিশ, বিমানবন্দর ইমিগ্রেশনসহ সাতটি দফতরে গত ২০ জুলাই চিঠি পাঠিয়েছিল।’
বিএনপির এই নেতা দাবি করেন, ‘ব্যক্তি আক্রোশ, স্বেচ্ছাচারিতা ও একতরফা আধিপত্য এখন বাংলাদেশের রাষ্ট্রচরিত্র। যার আবারও বহিঃপ্রকাশ দেখা গেল ইউনুস সেন্টার আয়োজিত আন্তর্জাতিক সম্মেলনে পুলিশি বাধার মধ্য দিয়ে।’ তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশে মত প্রকাশের স্বাধীনতা, নাগরিক অধিকার তথা গণতন্ত্র যে কত বিপন্ন, তা এই ঘটনায় বিশ্ববাসীর কাছে আবারও সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত হলো।’
বিবৃতিতে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘ইউনূস সেন্টার আয়োজিত ‘সপ্তম আন্তর্জাতিক সামাজিক ব্যবসা দিবস ২০১৭’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে পাঁচশ বিদেশি অতিথিসহ ৩৬টি দেশের দুই হাজারের বেশি প্রতিনিধির অংশ নেওয়ার কথা ছিল। বিশ্বের খ্যাতিমান ব্যক্তিদের অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার জন্য অনুষ্ঠানের সার্বিক প্রস্তুতিও সম্পন্ন হয়েছিল। আমন্ত্রিত পাঁচশ বিদেশি অতিথির মধ্যে প্রায় দুইশ অতিথি এরইমধ্যে ঢাকায় উপস্থিতও হয়েছেন। সম্মেলনে জাতিসংঘের সহকারী মহাসচিবও উপস্থিত থাকতেন।’
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘সরকারের এই অসদাচরণের মধ্য দিয়ে বিশ্ব সম্প্রদায়ের কাছে বাংলাদেশ সম্পর্কে বিরূপ ধারণা আরও তীব্র হবে।’ তিনি বলেন, ‘গণতন্ত্রকে জলাঞ্জলি দিয়ে স্বেচ্ছাচার ও দুর্নীতিকে আলিঙ্গন করার জন্যই সরকার বেপরোয়া নীতি গ্রহণ করেছে। গণতন্ত্রের রীতিনীতি ও পরম্পরাকে উচ্ছেদ করা হয়েছে দুর্বিনীত আক্রমণে।’
/এসটিএস/এমএনএইচ/