এর আগে, মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) রাত ১০টার দিকে দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কার্যালয় থেকে বের হওয়ার পর গয়েশ্বর চন্দ্র রায়কে পুলিশ প্লাজার সামনে থেকে আটক করা হয়। আর জাতীয় নির্বাহী কমিটির খুলনা বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিতকে শান্তিনগরের বাসা থেকে মঙ্গলবার রাত ১২টার দিকে আটক করে গোয়েন্দা পুলিশ।
এসব ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘অবৈধপন্থায় ক্ষমতা ধরে রাখতে রাষ্ট্রযন্ত্রকে বিরোধী দল দমনে ব্যবহার করে বেপরোয়া ক্ষমতা প্রদর্শনের মাধ্যমে বর্তমান শাসকগোষ্ঠী জনগণের জানমালের নিরাপত্তাকে ভূলুণ্ঠিত করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় সিনিয়র নেতাসহ সব পর্যায়ের নেতাকর্মীদের কারাগারে পাঠিয়ে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে আবারও ৫ জানুয়ারির মতো ভোটারবিহীনভাবে অনুষ্ঠিত করার পরিকল্পনা করেছে সরকার।’
আটক বিএনপি’র সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত সরকারের চরম প্রতিহিংসাপরায়ণ রাজনীতির শিকার উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘সাংগঠনিক দক্ষতা ও দলের সব কর্মসূচি বাস্তবায়নে তৎপরতার জন্যই অমিত সরকারের টার্গেটে পরিণত হয়েছে। আমি অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের অবস্থান নিশ্চিত করা এবং অবিলম্বে তার পরিবারের নিকট হাজির করার জোর দাবি জানাচ্ছি।’
আরও পড়ুন: বিএনপি নেতা গয়েশ্বর ও অমিত আটক