রবিবার (৩ জুন) দুপুর ১২টায় ঢাকার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে রিজভী বলেন, “আওয়ামী সরকার দেশে একটি এতিম জেনারেশন তৈরি করতে চায়। বেআইনি হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে সরকার টিকে থাকার সমাধান খুঁজছে। কিন্তু তারা ভুলে গেছে, প্রকৃতি নিজেই অন্যায়ের প্রতিশোধ নেয়। একটি বেআইনি হত্যা আরও অনেক হত্যার বিস্তৃতি ঘটায়।”
রিজভীর ভাষ্য, ‘অনেক স্বৈরশাসক নির্যাতন করে লোক না দেখিয়ে। আর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্যাতন করেন লোক দেখিয়ে। ওনার অদম্য প্রতিহিংসা কতটা আর তিনি কতটা নির্দয়, নিষ্ঠুর, ভয়ঙ্কর হতে পারেন তা বারবার জানান দিতে চান তিনি।’
আনুষ্ঠানিকভাবে পরিত্যক্ত কারাগারে বন্দি করে রাখার কারণে খালেদা জিয়া শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বলে দাবি বিএনপির এই নেতার। তিনি বললেন, ‘২০০ বছরের পুরনো একটি ধ্বংসাবশেষের মধ্যে বন্দি আছেন বেগম জিয়া। এ কারণে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত তিনি। ভোটারশূন্য একটি নির্বাচন নিশ্চিত করতেই তাকে বন্দি করে রাখা হয়েছে। আবারও ৫ জানুয়ারি মার্কা নির্বাচনি তামাশা দেখার অপেক্ষা করছে জনগণ।’
রুহুল কবির রিজভী আরও বলেন, ‘কিছুদিন আগে খালেদা জিয়ার চোখে অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। কিন্তু কারা ভবনের দেয়াল ও ছাদ থেকে ঝরে পড়া সিমেন্ট ও ধুলাবালিতে মারাত্মকভাবে আক্রান্ত হচ্ছে তার চোখ। এছাড়া হাত ও পায়ের ব্যথায় তার হাঁটাচলায় কষ্ট হচ্ছে। কারাগারে প্রায়ই বিদ্যুৎ থাকে না।’
আসন্ন ঈদুল ফিতরের আগে খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেওয়ার দাবি জানান রিজভী। তার হুঁশিয়ারি, ‘আমাদের নেত্রীর ওপর যে জুলুম ও নিষ্ঠুর নির্যাতন করা হচ্ছে, তার জবাব দিতে প্রস্তুত হয়ে আছে জনগণ।’