বিএনপির স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, ‘ক্ষমতায় থাকা দলটি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের বিভিন্ন দিনগুলো, স্বাধীনতার বিভিন্ন ইতিহাস তুলে ধরার প্রয়োজন মনে করেনি। কিন্তু বিএনপি স্বাধীনতার ৫০ বছর উদযাপন করছে, প্রতিটি দিনকে সামনে এনেছে। যা এই প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানতে সহায়তা করবে।’
বুধবার (৭ জুলাই) বিকালে ‘স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন জাতীয় কমিটি’র উপকমিটি ‘মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা কমিটি’ আয়োজিত ভার্চুয়াল সভায় এসব কথা বলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এই অধ্যাপক।
ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘আমরা যখন প্রকৃত ইতিহাসের কথা বলি তখন আওয়ামী লীগের কাছ থেকে বিরূপ প্রতিক্রিয়া আসে। কারণ তাদের গায়ে জ্বালা ধরে যায়। যদি মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস নতুন প্রজন্ম জানে, যদি ৫০ বছরের স্বাধীনতার ইতিহাস জানে; আওয়ামী লীগের এ দেশে রাজনীতি করার কোনও ক্ষেত্র থাকবে না। আওয়ামী লীগের কোনও অস্তিত্ব থাকবে না। এ জন্য তারা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে বিকৃত করছে।’
আলোচনায় মোশাররফ হোসেন জেডফোর্সের কমান্ডার জিয়াউর রহমানসহ এই বিগ্রেডের সব সেনা কর্মকর্তা, সৈনিক, মুক্তিযোদ্ধাসহ দেশের জন্য জীবন উৎসর্গকারীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান ।
বক্তব্যে বিএনপিনেতা ড. মোশাররফ জেড ফোর্সের অন্যান্য সেনা কর্মকর্তা অলি আহমেদ, সাদেক হোসেন, আবদুল হালিম, হুমায়ুন হাই, মইনুল হোসেন চৌধুরী, জিয়াউদ্দিন, সাফায়েত জামিল, আবু জাফর মো. আমিনুল হক, বজলুল গনি পাটোয়ারি, মাহবুবুর রহমান, হাফিজ উদ্দিন, আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী, শমসের মবিন চৌধুরী, মহসিন উদ্দিন আহমেদ, আশরাফুল আলম, আনোয়ার হোসেন, আকবর হোসেন, মহসিন উদ্দিন, এসআইএম নুরুন্নবী খান, খালিকুজ্জামান চৌধুরী, মোদাচ্ছের হোসেন খান, মাহবুবুল আলম, ওয়াকার হাসান প্রমুখের নাম উল্লেখ করেন।
দলের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী মুক্তিযোদ্ধা সন্মাননা কমিটির আহ্বায়ক ব্যারিস্টার অবসরপ্রাপ্ত মেজর শাহজাহান ওমর বীর উত্তমের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল জয়নাল আবেদীনের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, সেলিমা রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আব্দুস সালাম, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান অবসপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বীর প্রতীক, মুক্তিযোদ্ধা দলের সাদেক আহমেদ খান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।