রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আজ (১৭ জুলাই)। ২০২০ সালের এই দিনে তিনি রাজধানীর বেসরকারি একটি হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন। বিএনপির শুভাকাঙ্ক্ষী হিসেবে পরিচিত অধ্যাপক এমাজউদ্দীনের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বাণী দিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বাণীতে বিএনপির মহাসচিব বলেন, দেশের কৃতি অধ্যাপক, বুদ্ধিজীবী এবং আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী প্রফেসর ড. এমাজউদ্দিন আহমদ বাংলাদেশের উজ্জল নক্ষত্র। রাষ্ট্র, রাজনীতি, গণতন্ত্র, সমাজনীতি, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক রাজনীতি বিষয়ে পণ্ডিত ব্যক্তিত্ব ছিলেন দেশ ও জাতির গর্বের ধন তিনি। এ সকল বিষয়ে তার দিকনির্দেশনা ও জ্ঞানগর্ভ বিশ্লেষণ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে সমাদৃত হয়েছে।
এমাজউদ্দীন আহমদ ‘জাতীয়তাবাদ ও গণতন্ত্রের’ সমর্থক ছিলেন বলে উল্লেখ করেন ফখরুল। তিনি বলেন, বাংলাদেশে জাতীয়তাবাদী রাজনীতি ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। রাষ্ট্রবিজ্ঞানে তিনি ছিলেন একজন উঁচু মানের গবেষক, তার গবেষণা রাষ্ট্রবিজ্ঞানের পরিধি বিস্তৃত করেছিল এবং সেজন্য তিনি দেশে-বিদেশেও সমাদৃত ছিলেন।
প্রসঙ্গত, এমাজউদ্দীন আহমদ ১৯৩৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের মালদা জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। ১ নভেম্বর ১৯৯২ থেকে ৩১ আগস্ট ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। গবেষণা ও সৃজনশীল লেখার জন্যে তিনি দেশ ও বিদেশে সম্মানিত হয়েছেন। শিক্ষাক্ষেত্রে অবদানের জন্য তিনি ১৯৯২ সালে একুশে পদক পান। বিএনপিপন্থী ‘শত নাগরিক’ জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক ছিলেন এমাজউদ্দীন আহমদ।
আরও পড়ুন:
বঙ্গবন্ধু এসে আমাদের উদ্ধার করলেন: এমাজউদ্দীন আহমদ
বিএনপিকে জামায়াত ছাড়ার পরামর্শ বিশিষ্টজনদের
অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদ আর নেই