২০২০ সালের ২৫ মার্চ করোনা ভাইরাসজনিত পরিস্থিতিতে শর্তসাপেক্ষে মুক্তির পর এই প্রথম মাঠের কর্মসূচিতে যাচ্ছে বিএনপি। শনিবার (২০ নভেম্বর) সকাল ৯ টা থেকে তার মুক্তি ও উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে যেতে সুযোগ দেওয়ার দাবিতে গণঅনশন কর্মসূচি পালন করবে দলটি। এতে দলের স্থায়ী কমিটিসহ শীর্ষ পর্যায়ের সব নেতা অংশগ্রহণ করবেন। পাশাপাশি অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোর নেতারাও অংশ নেবেন।
উল্লেখ্য, খালেদা জিয়া বর্তমানে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বিদেশে যাওয়ার সুযোগ দেওয়ার দাবিতে বৃহস্পতিবার (১৮ নভেম্বর) গণঅনশন কর্মসূচি ঘোষণা করে বিএনপি।
বিএনপির চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইং সদস্য শায়রুল কবির খান শুক্রবার (১৯ নভেম্বর) সন্ধ্যায় বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, গণঅনশন কর্মসূচিতে বিএনপির সব সিনিয়র নেতা অংশগ্রহণ করবেন। এতে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যরা, ভাইস চেয়ারম্যান, উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্যরাসহ ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের শীর্ষ নেতারাও থাকবেন।
দলীয় সূত্র বাংলা ট্রিবিউনকে জানায়,শনিবার সকাল ৯টা থেকে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচ তলায় দলের সিনিয়র নেতারা অবস্থান নেবেন। নেতাকর্মীরা এই অবস্থানকে কেন্দ্র করে আশেপাশে বসবেন। শান্তিপূর্ণভাবে এই অবস্থান কর্মসূচিতে তারা বক্তব্য রাখবেন।
শুক্রবার বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ২০ দলীয় জোট, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টসহ সমমনা ও রাজপথের বিরোধী দলগুলোর শীর্ষ নেতাদেরকেও এই গণঅনশনে দেখা যেতে পারে। অনেক নেতাই আগ্রহ নিয়ে বিএনপির সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করতে। পাশাপাশি বিএনপির উচ্চপর্যায় থেকেও কয়েকটি দলের শীর্ষ নেতাদের অনশনে আসার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
আমন্ত্রিত কোনও কোনও দলের নেতা অবশ্য বাংলা ট্রিবিউনকে কর্মসূচিতে না যাওয়ার কথাও জানিয়েছেন।
এর আগে,২০১৮ সালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ঢাকা মহানগর নাট্যমঞ্চে,রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের সামনে অনশন করে বিএনপি। এসব কর্মসূচিতে ২০ দলীয় জোটের শরিক নেতারাও অংশগ্রহণ করেন।
আবদুস সালাম বলেন, ‘আমরা আশা করি, অনেকেই খালেদা জিয়ার মুক্তি ও উন্নত চিকিৎসার জন্য তার বিদেশে যাওয়ার দাবিতে গণঅনশন কর্মসূচিতে সংহতি জানাবেন। ইতোমধ্যেই এ বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকে আহ্বান এসেছে।’