রিজভী বলেন, গণতন্ত্রকে খুন করা হয়েছে। ব্রাক্ষণবাড়িয়ায় এখন বিএনপি-নিধন চলছে। ‘যা কিছু ঘটুক, কেষ্টা বেটাই চোর’—তেমনি দেশে যা কিছু ঘটে সব কিছু বিএনপি করে। ব্রাক্ষণবাড়িয়ায় বিএনপির সভাপতি হাফিজুর রহমান মোল্লা কচি, সাধারণ সম্পাদক জহিরুল হক খোকনসহ ৪৪ জন নেতাকর্মীর নামে ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দেওয়া হয়েছে। মাদ্রাসাছাত্র হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে বিএনপির নেতাকর্মীরা বিন্দুমাত্র সম্পৃক্ত নেই। এ মামলা দায়ের ও হয়রানির তীব্র নিন্দা জানাই।
রিজভী বলেন, এ সরকার ক্ষমতায় টিকে থাকতে তাদের পুরনো চিরচেনা বাঁকা পথে হাঁটছে। সরকারের সন্ত্রাসী বাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সম্মিলিতভাবে অন্যায়-অত্যাচার, গুম-হত্যা করে টিকে আছে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, আন্তর্জাতিক-বিষয়ক সম্পাদক নাজিম উদ্দিন আলম, যুববিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক খায়রুল কবির কোকন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ প্রমুখ।
/এসটিএস/এমএনএইচ/