‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের এক দফা’ আন্দোলনকে চূড়ান্ত পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সব দলের সঙ্গে সমন্বয় করে কর্মসূচি প্রস্তুত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপির স্থায়ী কমিটি। সোমবার (৭ আগস্ট) অনুষ্ঠিত স্থায়ী কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।
মঙ্গলবার (৮ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
সোমবার (৭ আগস্ট) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ভার্চুয়াল সভায় অংশ নেন মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমেদ, সেলিমা রহমান ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। অসুস্থ থাকায় খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার ও আবদুল মঈন খান বৈঠকে অংশ নিতে পারেননি।
মির্জা ফখরুল জানান, সভায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলায় ফরমায়েশি রায় প্রদানের তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়। সভা মনে করে—বর্তমান অবৈধ সরকার বিচার বিভাগকে অবৈধ, অগণতান্ত্রিক ফ্যাসিবাদী শাসনকে স্থায়ী করার লক্ষ্যে ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে দমন করার সবচেয়ে বড় অস্ত্র হিসাবে ব্যবহার করছে।’
ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনের পরিবর্তে সাইবার নিরাপত্তা আইনের প্রস্তাব নিয়েও সভায় আলোচনা হয় বলে জানান বিএনপির এই নেতা। তিনি বলেন, ‘সভা মনে করে, এটা নাম পরিবর্তন করে নিবর্তনমূলক আইন প্রণয়ন করার নামান্তর। এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংবলিত বক্তব্য পরবর্তী সময়ে প্রদানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।’