বিএনপির চেয়াপারসন বেগম খালেদা জিয়া ‘খুব সুস্থ নন’ বলে জানিয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শনিবার (২১ সেপ্টেম্বর) গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যরালয়ে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে বিএনপি মহাসচিব এই কথা জানান।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া খুব সুস্থ নন। গতকাল (শুক্রবার) উনার শরীরে ট্যাম্পারেচার বেশি ছিল।’
<iframe width="853" height="480" src="https://www.youtube.com/embed/D26i_vNq4l4" title="খালেদা জিয়া মুক্তি পাওয়ার পরও বিদেশে চিকিৎসার জন্য যাচ্ছেন না কেন?" frameborder="0" allow="accelerometer; autoplay; clipboard-write; encrypted-media; gyroscope; picture-in-picture; web-share" referrerpolicy="strict-origin-when-cross-origin" allowfullscreen></iframe>
উন্নত চিকিৎসার জন্য খালেদা জিয়াকে বিদেশে নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘উনাকে (খালেদা জিয়া) ডাক্তাররা এখন পর্যন্ত ফিট টু ফ্লাই মনে করছেন না। সেজন্য বিদেশে নিতে বিলম্বটা হচ্ছে।
গত ১২ সেপ্টেম্বর রাতে খালেদা জিয়াকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। ছয়দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর গত ১৮ সেপ্টেম্বর গুলশানের বাসায় ফেরেন তিনি।
<iframe width="853" height="480" src="https://www.youtube.com/embed/HydXk54bZm0" title="বিএনপি ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নের মাধ্যমে গড়তে হবে মেধাভিত্তিক বাংলাদেশ: মির্জা ফখরুল" frameborder="0" allow="accelerometer; autoplay; clipboard-write; encrypted-media; gyroscope; picture-in-picture; web-share" referrerpolicy="strict-origin-when-cross-origin" allowfullscreen></iframe>
বাসায় খালেদা জিয়া চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে থাকবেন। অধ্যাপক সাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে একটি বিশেষজ্ঞ মেডিক্যাল বোর্ড খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছেন।
৭৯ বছর বয়সী সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন লিভার, সিরোসিস, হৃদরোগ, ফুসফুস ও কিডনি জটিলতা, আর্থ্রাইটিস ও ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন জটিলতায় ভুগছেন।