‘বিচারিক হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে আমাদের পাঁচ নেতাকে ফাঁসি দেওয়া হয়েছে’

চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া জামায়াতের নেতাদের এবং জুলাই আন্দোলনে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।

শনিবার (২৭ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ১৬তম কার্যদিবসে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

শাহজাহান চৌধুরী বলেন, আমি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি আমাদের সেই নেতাদের যাদের বিচারিক হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে ফাঁসির কাষ্ঠে হত্যা করা হয়েছে। গত ১৮ বছরে যেসব পরিবার নির্যাতিত ও নিপীড়িত হয়েছে, তাদেরও স্মরণ করছি। পরিশেষে ৩৬ জুলাই যারা আন্দোলনে রক্ত দিয়েছেন এবং শাহাদাত বরণ করেছেন, তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাচ্ছি।

তিনি বলেন, এই সংসদ নির্যাতিত, নিপীড়িত ও অসহায় মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার সংসদ। গত ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত এই সংসদ ১৮ কোটি মানুষের প্রত্যাশার প্রতিফলন। বিগত ৫৪ বছরের সংসদগুলোর মতো নয়, এই সংসদের কাছে মানুষের অনেক আশা রয়েছে।

শাহজাহান চৌধুরী বলেন, নির্বাচনের আগে ‘চলো একসাথে গড়ি বাংলাদেশ’ স্লোগান দেওয়া হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া ও চীন সফরের পর বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান সংসদে যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা ওই অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন।

তিনি বলেন, বিরোধীদলীয় নেতা ঘোষণা দিয়েছেন, ক্ষমতায় গেলে সরকারি কোনও সুযোগ-সুবিধা নেবেন না, করমুক্ত গাড়ি নেবেন না এবং বাসস্থানের জন্য জমিও নেবেন না। পরে অসুস্থ হয়ে বিদেশে চিকিৎসার প্রস্তাব পেলেও তিনি দেশে চিকিৎসা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। এর মাধ্যমে তিনি দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থার প্রতি আস্থার বার্তা দিয়েছেন।

শাহজাহান চৌধুরী আরও বলেন, আমি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি মরহুম সাইফুর রহমানকে। তিনি ১৯৯১ সালে বাজেট উপস্থাপন করেছিলেন। পরে ২০০১ সালেও সরকারের সময় বাজেট পেশ করেছিলেন।