হরতালের সমর্থনে রাজধানীতে বাম দলগুলোর মিছিল

হরতালের সমর্থনে বাম দলগুলোর মিছিল (ছবি: সংগৃহীত)বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি প্রত্যাহার ও চালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম কমানোর দাবিতে ডাকা হরতালের সমর্থনে মিছিল করলো বাম দলগুলো। মঙ্গলবার (২৮ নভেম্বর) সন্ধ্যায় জাতীয় প্রেসক্লাবে কেন্দ্রীয়ভাবে সমবেত হয় বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ ও গণতান্ত্রিক বাম মোর্চা।

মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বামপন্থী নেতারা বলেছেন, ‘সরকার ভোটাধিকার কেড়ে নিয়ে  জনগণের স্বার্থের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। জনগণের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে সরকার লুটেরাদের স্বার্থ রক্ষা করছে। সরকারের ভুল, গণবিরোধী নীতি ও পদক্ষেপের খেসারত দিতে হচ্ছে জনগণকে। জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এখনই রুখে দাঁড়াতে হবে। তা না হলে বিপদ আরও বাড়বে।’

আগামী ৩০ নভেম্বরের হরতাল সফল করতে রাজপথে নেমে আসার জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানান বাম দলের নেতারা। ওইদিন অর্ধদিবস (সকাল ৬টা থেকে দুপুর ২টা) হরতাল করবে গণতান্ত্রিক বাম মোর্চা, সিপিবি ও বাসদ। 



সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন গণতান্ত্রিক বামমোর্চার সমন্বয়ক কমরেড সাইফুল হক ও বাসদের ঢাকা মহানগর কমিটির সদস্য সচিব জুলফিকার আলী। প্রচারাভিযানে ছিলেন বাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য বজলুর রশীদ ফিরোজ, বাসদের (মার্কসবাদী) মানস নন্দী, গণসংহতি আন্দোলনের মনির উদ্দিন পাপ্পু, সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের আহ্বায়ক হামিদুল হক, সিপিবি’র সাধারণ সম্পাদক মো. শাহ আলম, সহকারি সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ জহির চন্দন, প্রেসিডিয়াম সদস্য আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন, সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স।
সমাবেশ শেষে হরতালের সমর্থনে জাতীয় প্রেসক্লাব থেকে প্রচারাভিযান শুরু হয়ে কাকরাইল, শান্তিনগর, মালিবাগ মোড়, মৌচাক, মালিবাগ রেলগেটে শেষ হয়।

এর আগে সকালে হরতালের সমর্থনে রমনা পার্ক, সংসদ ভবনের চন্দ্রিমা উদ্যান ও কাকরাইলের এজিবি অফিসের সামনে এবং বিকালে মিরপুর ১০ নম্বর গোলচত্বর থেকে পল্লবী ও মোহাম্মদপুর এলাকায় হরতালের পক্ষে প্রচারণা চালানো হয়।

জানা যায়, বুধবার (২৯ নভেম্বর) সকালে রায়েরবাজার বধ্যভূমির কাছের পার্ক, সকাল ১০টায় গাবতলী বাসস্ট্যান্ড, বিকাল ৪টায় প্রেসক্লাব থেকে প্রচার মিছিল করবে বাম দলগুলো।


গত সপ্তাহে প্রতি ইউনিটে বিদ্যুতের দাম বেড়েছে ৩৫ পয়সা বাড়ানোর ঘোষণা দেয় বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন। আগামী মাস থেকে এটি কার্যকর হবে। জানুয়ারি মাস থেকে গ্রাহকদের বিদ্যুৎ ব্যবহারের জন্য ৫ দশমিক ৩ শতাংশ বাড়তি বিল দিতে হবে।