গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোট ডাকাতির অভিযোগ তুলেছেন জেএসডি সভাপতি। তার ভাষ্য, ‘গাজীপুর সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে জনগণকে আটকে রেখে ধীরে ধীরে সিল মারা হয়েছে। ডাবল ব্যালট পেপার ছাপিয়ে আগের দিন রাতেই সিল মেরে বাক্স ভর্তি করা হয়। পুলিশ বাহিনীকে দিয়েও সেই সিল দেওয়া হয়েছে। এভাবে পুলিশ দিয়ে সিল বসানোর কথা কোনও দিন শুনিনি। এ দেশে নীরবে ভোট ডাকাতি হয়।’
বাংলাদেশ গণসংস্কৃতি দল আয়োজিত এই সমাবেশে আ স ম আবদুর রব আরও বলেন, ‘নির্বাচনের আগের রাতে নেতাকর্মীদের বাড়ি বাড়ি তল্লাশি চারিয়েছে পুলিশ। ভয়ে কেউ ভোটকেন্দ্রের আশপাশ দিয়ে যেতে পারে না। এই সরকার জনসভা, নাগরিক সমাবেশ, মিছিল কিছুই করতে দেয় না। তাদের ভয় কীসে?’
কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারীদের সঙ্গেও বর্বর আচরণ হচ্ছে উল্লেখ করে সরকারের তীব্র সমালোচনা করেন জেএসডি সভাপতি। তার কথায়, ‘আন্দোলনকারীরা চাইলো সংস্কার, আর আপনারা কোটাই বাতিল করে দিলেন। আপনারা যা ইচ্ছে তা করতে পারেন না। আপনাদের এর জবাবদিহি করতে হবে জনগণের কাছে। আপনাদের যা ইচ্ছে তা করতে দেওয়া হবে না। মানুষের দাবি আমরা আদায় করে ছাড়বো। আমাদের দাবি মানতে হবেই।’
নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্নাও সরকারের কড়া সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ‘দেশে প্রতিনিয়ত সড়কে মৃত্যুর মিছিল চলছে। আর সরকার বলছে দেখেশুনে সড়কে চলাচল করা উচিত। এত বড় নির্লজ্জ সরকার বাংলাদেশের ইতিহাসে আর কখনও আসেনি। কিছুদিন আগে মাদক নির্মূলের নামে ১৭৬ জনকে বিচারবহির্ভূতভাবে হত্যা করা হয়েছে। সরকার ভিন্ন ধরনের খেলা খেলছে। এই খেলা বন্ধ করতে হবে।’
সমাবেশে আরও ছিলেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, জেএসডি’র সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক রতনসহ অন্য নেতারা।