পুনরায় নির্বাচন দিতে হবে: চরমোনাই পীর

চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মোহাম্মদ রেজাউল করীম (ছবি: সংগৃহীত)বরিশাল, রাজশাহী ও সিলেট সিটি নির্বাচন বর্জন করেছে ইসলামী আন্দোলন। দলটির আমির ও চরমোনাই পীর সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম পুনরায় নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন। সোমবার (৩০ জুলাই) বিকালে এ সংক্রান্ত একটি বিবৃতি পাঠিয়েছেন তিনি।
বিবৃতিতে সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেন, ‘প্রকাশ্যে ভয়াবহ ভোট ডাকাতি, কেন্দ্র দখল, জাল ভোট প্রদান, হাতপাখার এজেন্টদের বের দেওয়া ও ভোটারদের ভোট দিতে না দেওয়াসহ ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে। খুলনা ও গাজীপুর সিটি নির্বাচনের চেয়ে তিন সিটি নির্বাচনে জঘন্য ভোট ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। সরকারের শেষ মেয়াদে এসে এই তিন সিটি নির্বাচন নিয়ে দেশের জনগণ আশা করেছিল, একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন দিয়ে জাতিকে একাদশ নির্বাচনের প্রতি আগ্রহী করে তুলবে ক্ষমতাসীনরা। কিন্তু অবাক বিস্ময়ে আওয়ামী লীগের দলীয় ক্যাডার ও প্রশাসনের ভোট তাণ্ডবের নির্লজ্জতা প্রত্যক্ষ করতে হলো। বর্তমান সরকার ও নির্বাচন কমিশনের অধীনে কোনও সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হতে পারে না, তা চূড়ান্তভাবে আবারও প্রমাণিত হলো।’
চরমোনই পীরের মন্তব্য, ‘প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে পছন্দের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা দিলে জনগণের টাকা নষ্ট হতো না। এভাবে নির্বাচনের নামে জাতিকে ধোঁকা দিয়ে দেশের সম্পদ নষ্ট করার অধিকার কারও নেই। তিন সিটিতেই নির্বাচন কর্মকর্তা ও পুলিশ নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে ভোট ডাকাতির সুযোগ দিয়েছে। বিশেষ করে বরিশালে দলীয় ক্যাডার ও প্রশাসন যেভাবে ভোট ডাকাতির নির্লজ্জতা প্রদর্শন করেছে, তা আগে কখনও দেখা যায়নি। জনগণের ভোটাধিকার রক্ষায় দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার সময় এসেছে।’

এদিকে বরিশালে সকাল ১১টায় ইসলামী আন্দোলনের মেয়র প্রার্থী মাওলানা ওবায়দুর রহমান মাহবুব সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ভোট বর্জন করেন। এরপর সিলেটে মেয়র প্রার্থী প্রফেসর ডা. মোয়াজ্জেম হোসেন খান দুপুর আড়াইটার দিকে ও রাজশাহীর মেয়র প্রার্থী শফিকুল ইসলাম বিকাল ৩টায় ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন।