বিবৃতিতে ইউনুস আহমাদ বলেন, ‘নির্ধারিত সময়ের আগে প্রচারণা ও শোডাউন নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও ক্ষমতাসীন দলের অনেক প্রার্থী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে চলেছেন। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন নির্বিকার। অন্যদিকে ইসলামী আন্দোলনের নিয়মতান্ত্রিক সাংগঠনিক কাজেও আচরণবিধি লঙ্ঘনের নামে বাধা সৃষ্টি করা হয়েছে, এমন অভিযোগ আমাদের কাছে আছে।’
ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব আরও বলেন, ‘একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলন মনোনীত ৩০০ প্রার্থীর মধ্যে ১৯ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র গৃহীত হয়নি রিটার্নিং অফিসারের বাছাইয়ে। যার বেশির ভাগই বাতিল করা হয়েছে ঠুনকো অজুহাতের ভিত্তিতে। ২ ডিসেম্বর জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার বাছাইয়ে ইসলামী আন্দোলনের যেসব প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে, তাদের প্রায় সবার ক্ষেত্রেই খুবই লঘু কারণ ছিল।’
তিনি বলেন, ‘আইনের মারপ্যাঁচ দেখিয়ে প্রার্থিতা বাতিল করার মাধ্যমে ইসলামী আন্দোলনের অগ্রযাত্রাকে থামিয়ে দেওয়া যাবে না। আমরা প্রার্থিতা বাতিলের ত্রুটিপূর্ণ এই কার্যক্রমকে আইনিভাবে চ্যালেঞ্জ করছি। আমরা আপিল করেছি।’
ইউনুস আহমাদ আরও বলেন, ‘ইসি যদি লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করতে সক্ষম হয়, তাহলে এবারের নির্বাচনে ব্যালট বিপ্লবের সূচনা হবে। নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সকল দলের সমান সুযোগ নিশ্চিত করার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। তারা যদি তাদের দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়, তাহলে এবারের নির্বাচনও হবে প্রশ্নবিদ্ধ এবং অগ্রহণযোগ্য। এর ফলে দেশ এক মহাসংকটে পড়বে বলে আমাদের ধারণা।’