নির্বাচনি প্রচারণা কেন্দ্র ভাঙচুর করছে সরকারি দলের লোকজন : আব্দুর রহিম

স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুর রহিম

নির্বাচনি প্রচারণাকেন্দ্র সরকারি দলের লোকজন ভাঙচুর করছে বলে অভিযোগ করেছেন ঢাকা-১৫ ও ১৭ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আলহাজ মোহাম্মদ আব্দুর রহিম। বুধবার (১৯ ডিসেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।

তিনি বলেন, ‘ইসি থেকে হয়রানি শেষে মাঠে গেলাম নির্বাচনি প্রচারণা করতে। মাঠে যাওয়ার পর আমাদের কর্মীদের গ্রেফতার করা হয়। নির্বাচনি প্রচারণার জন্য কেন্দ্র বানানোর চেষ্টা করলাম, সেখানেও ভাঙচুর করেছে সরকারি দলের কিছু অপদার্থ কর্মী। আমার বিশ্বাস হয় না প্রধানমন্ত্রী এ ধরনের নির্দেশ দেবেন। কিন্তু উনার দলের কিছু অপদার্থ কর্মী অতি উৎসাহী হয়ে এ কাজ করছে।’

তিনি আরও অভিযোগ করেন, ‘আমাদের পুলিশের মধ্যেও এখন মনে হয় বাণিজ্যনীতি ঢুকে গেছে। তারা অতি উৎসাহী হয়ে এখন ধরপাকড় শুরু করেছে। বিনিময় আমরা যেন তাদের সঙ্গে সমঝোতা করি।’

আব্দুর রহিম বলেন, ‘আমি একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসেবে বিনয়ের সঙ্গে অনুরোধ করবো দেশটা কিন্তু আমাদের সবার। মিনিমাম একটা অবস্থান তৈরি করেন, যাতে আমরা সবাই আমাদের সন্তানদের কাছে, পরিবারের কাছে মুখ দেখাতে পারি। আমরা স্বতন্ত্র প্রার্থী। এই স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মাঠে আপনি কথা বলার সুযোগ দেবেন না, এটা তো হতে পারে না।’

নির্বাচন কমিশন নিয়ে তিনি বলেন, ‘ওটা একটা অপদার্থ প্রতিষ্ঠান। ওখানে চিঠি কেন, একটা থুতু ফেলতেও যাবো না। আমরা যারা স্বতন্ত্র, তাদের কি যে কষ্ট দিয়েছে। এক শতাংশ ভোটের বিষয়কে সামনে এনে রিটার্নিং অফিসার আমাকে নাকচ করেছে। আমি এর বিরুদ্ধে আপিল করে কমিশনারের কাছে গিয়েছি। তবে যখন শুনেছে স্বতন্ত্র প্রার্থী তখন আবেদন ছুড়ে ফেলে দেওয়া হয়েছে। আমরা বলতে চাই না, এটা হবে না।’

তিনি আরও অভিযোগ করেন, ‘প্রচার কাজে আমি সরকারি দলের সন্ত্রাসীদের বাধা থেকে মুক্তি পাইনি। আমার কর্মীরা প্রতিনিয়ত সরকারি দলের সন্ত্রাসীদের দ্বারা ভয়, ভীতি এবং বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে। শুধু তাই নয়, আমার কর্মীদের পুলিশ দিয়ে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং হচ্ছে। কর্মীদের ঘর দরজা এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভেঙে দেওয়া হচ্ছে। সরকার জনপ্রিয়তার দিক দিয়ে কতটা দেউলিয়া, তার প্রমাণ এখানেই।’

সংবাদ সম্মেলন শেষে তিনি নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করেন।