এতে বলা হয়, দেশের সংবিধান সব নাগরিককে মত প্রকাশ ও সংগঠন করার অধিকার দিয়েছে। ডাকসু দেশের নাগরিকদের সেই সাংবিধানিক অধিকার কেড়ে নিতে পারে না। কারণ, ঢাবি কোনও বিচ্ছিন্ন জনপদ নয়। বিভিন্ন ঐতিহাসিক আন্দোলন সংগ্রামে ঢাবির রয়েছে ঐতিহাসিক ভূমিকা। ডাকসু’র এ ধরনের গণবিরোধী সিদ্ধান্ত ঢাবির ঐতিহ্য ম্লান করে দেবে।
বর্তমান জনবিচ্ছিন্ন সরকারের ছাত্র সংগঠন শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস, টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজিসহ নানা ধরনের অপকর্মে জড়িয়ে পড়েছে। সরকার দলীয়দের ছত্রছায়ায় ক্যাসিনোর নামে মদ, জুয়া, হাউজিতে সয়লাব দেশ। সম্প্রতি নৈতিক অপরাধের কারণে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে তাদের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সরকার ও সরকার দলীয় ছাত্র সংগঠন নিজেদের ব্যর্থতা ও অপকর্ম ঢাকতে ধর্মভিত্তিক ছাত্র সংগঠন, বিশেষ করে বিভিন্ন ইসলামী ছাত্র সংগঠনের কার্যক্রম বন্ধ করে দিতে চায়।
ঢাবির ধর্মভিত্তিক ছাত্র সংগঠনের তৎপরতা নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত অবিলম্বে বাতিল করারও দাবিও করেছে দলটি।