মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বিশেষ বাণী দিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত বাণীতে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘মওলানা ভাসানী ছিলেন আফ্রো-এশিয়া, ল্যাটিন আমেরিকার নির্যাতিত-নিপীড়িত মানুষের বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর। তার কণ্ঠে উচ্চারিত হতো বঞ্চিত মানুষের অধিকার আদায়ের দাবি। তিনি ছিলেন মজলুমের বন্ধু। তিনি সাম্রাজ্যবাদ, আধিপত্যবাদ এবং অত্যাচারী শাসক ও শোষক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে এক আপোষহীন যোদ্ধা।’
মওলানার জীবন থেকে শিক্ষা নিয়ে গণতন্ত্র ও জনঅধিকার পুনরায় প্রতিষ্ঠার সংগ্রামকে কাঙ্খিত বিজয়ের লক্ষ্যে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান মির্জা ফখরুল।
পৃথক এক বাণীতে মওলানা ভাসানীর জন্মবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ এর চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া। তারা বলেন, ‘আজীবন মজলুম মানুষের মুক্তির জন্য যিনি লড়াই করেছেন তিনিই হলেন মওলানা ভাসানী। তার কাছে জালিমের যেমন কোনও জাত-ধর্ম থাকত না, তেমনি মজলুম মানুষ কোনও ধর্মের, দেশের, বর্ণের, পেশার সেটা তিনি বিন্দুমাত্র ভাবতেন না।’
এদিকে, মওলানা ভাসানীর জন্মদিন উপলক্ষে বিশেষ আয়োজন ও স্মরণসভা করবে বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠন। শনিবার (১২ ডিসেম্বর) বিকালে ভাসানী অনুসারী পরিষদ, ছাত্র অধিকার পরিষদ, রাষ্ট্রচিন্তা ও গণসংহতি আন্দোলন মিলে আয়োজন করবে ‘মওলানা ভাসানী ও আমাদের সময়ের রাজনীতি’ শীর্ষক আলোচনা সভা।
একইদিন রাজধানীর নয়া পল্টনের যাদু মিয়া মিলনায়তনে মওলানা ভাসানীর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন ও আলোচনা সভার আয়োজন করেছে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ। দলের মহাসচিব গোলাম মোস্তফা জানান, দলের সকল মহানগর, জেলা ও শাখা কমিটি স্মরণসভা ও দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।
প্রসঙ্গত, মওলানা ভাসানী ১৯৭৬ সালের ১৭ নভেম্বর তৎকালীন ঢাকার পিজি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৯৬ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন। তাকে টাঙ্গাইলের সন্তোষে দাফন করা হয়।