বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির চেয়ারম্যান সাইয়্যিদ সাইফুদ্দীন আহমদ আল হাসানী বলেছেন, ‘বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ রাজনীতির প্রভাবে দীর্ঘদিন যুদ্ধাপরাধীরা এ দেশের পবিত্র ভূমিতে অবাধে বিচরণ করেছে। অবশেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বহুমুখী চাপ উপেক্ষা করে ২০১০ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল গঠন করে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকার্য শুরু করেছেন। আমরা তার সাহসী পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানাই। আমরা আশা রাখি, স্বচ্ছতার সঙ্গে এই ট্রাইব্যুনাল সকল যুদ্ধাপরাধীর বিচার নিশ্চিত করবে।’ মঙ্গলবার (১৪ ডিসেম্বর) শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন তিনি।
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও আল বদরদের হাতে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেন সাইফুদ্দীন আহমদ আল হাসানী। তার ভাষ্য, ‘মহান মুক্তিযুদ্ধে দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের পর আপামর বাঙালির প্রতিরোধ, অজস্র আত্নত্যাগ ও অসীম বীরত্বে যখন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী পরাজয়ের দ্বারপ্রান্তে উপনীত হয়েছিল, তখন তারা বাঙালি জাতিকে পঙ্গু ও মেধাশূন্য করে দেওয়ার নীলনকশা বাস্তবায়নের উদ্দেশে ১৪ ডিসেম্বর ইতিহাসের অন্যতম নির্মম ও ঘৃণ্য হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে বাংলার সূর্যসন্তানদের শহীদ করে।’
সুপ্রিম পার্টির চেয়ারম্যানের দৃষ্টিতে, ‘জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের হারিয়ে বাঙালি জাতির অপূরণীয় ক্ষতি হলেও দৃঢ়চেতা মনোবল নিয়ে বিশ্বের মানচিত্রে আজ মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে বাংলাদেশ। ২০২১ সালে প্রায় সকল ইতিবাচক সূচকে পাকিস্তানের চেয়ে অনেক এগিয়ে বাংলাদেশ। এর মাধ্যমে তৎকালীন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসরদের ষড়যন্ত্রকে প্রতিহত করেছে।’