করোনা পরবর্তী শিক্ষা ব্যবস্থার সংকট উত্তরণে শিক্ষা খাতে মোট বাজেটের ন্যূনতম ১৫-২০ শতাংশ করার প্রস্তাব করেছে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন। সোমবার (৩০ মে) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল করীম আকরাম এ প্রস্তাব করেন।
সংবাদ সম্মেলনে বাজেট প্রস্তাবনা তুলে ধরেন সংগঠনের সেক্রেটারি জেনারেল শেখ মুহাম্মাদ আল-আমিন। বাজেট প্রস্তাবনায় ৬টি বিশেষ খাতের সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা ও ১৬ দফা দাবি পেশ করা হয়। প্রস্তাবনাগুলো মধ্যে রয়েছে— করোনা পরবর্তী শিক্ষা ব্যবস্থার মহাসংকট উত্তরণে শিক্ষা খাতে মোট বাজেটের ন্যূনতম ১৫-২০% বা জাতীয় আয়ের ৪-৬% হওয়া প্রয়োজন। বাংলাদেশে তা জাতীয় বাজেটের মাত্র ১১.৯২ শতাংশ। বছরের পর বছর শিক্ষা খাতে কম বরাদ্দ রাখার ফলে জ্ঞান সূচকে ১৩৮টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১১২তম। আমাদের ওপরে নেপাল, শ্রীলঙ্কা, ভূটান, ভারত, পাকিস্তান রয়েছে। ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেটে দেশের উচ্চশিক্ষা খাত ও গবেষণা খাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দের ওপর গুরুত্বারোপ করতে হবে। কারিগরি, বিজ্ঞান-প্রযুক্তি ও কৃষি শিক্ষার প্রসারে পর্যাপ্ত বরাদ্দ রাখতে হবে।
প্রস্তবনায় ১৬ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে— ঋণনির্ভর বাজেট থেকে অতিদ্রুত ফিরে আসা, অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমানো, কালো টাকা সাদা করার ব্যবস্থা বাতিল করা, বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনা, বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশিদের কর আদায় ইত্যাদি।