বাজেটে বিনোদন-সংস্কৃতিতে বরাদ্দ শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ: ডা. জাফরুল্লাহ

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা এবং গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন ও তদারকি কমিটির সভাপতি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, ‘একটি জাতির বিকাশ ঘটে শিক্ষা, সংস্কৃতি ও বিনোদনের মাধ্যমে অথচ বাজেটে বিনোদন-সংস্কৃতিতে বরাদ্দ মাত্র শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ। তাই বাজেট অনুমোদনের আগে জনগণের সামনে প্রকাশ করা উচিত। সোমবার (২৫ জুলাই) গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সেমিনারে ভার্চুয়াল মাধ্যমে যুক্ত হয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

‘একজন নাগরিকের দৃষ্টিতে-বাংলাদেশের প্রস্তাবিত ২০২২-২৩ বাজেটের তদবির ও গতানুগতিকতা: নেই সুষ্ঠ নির্বাচন ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার নিদের্শনা’ শীর্ষক প্রস্তাবনা নিয়ে সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়। ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী চলতি অর্থ বছরের বাজেট নিয়ে সম্প্রতি এই প্রস্তাবনাটি পেশ করেন।

সেমিনারে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘জনগণের জন্য যে বাজেট, সেই বাজেট সম্পর্কে তাদেরই কোনও ধারণা নেই।’ 

সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আবুল হোসেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ এস তাসাদ্দেক আহমেদ। ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী প্রস্তাবিত বিষয়ের ওপর সার-সংক্ষেপ উপস্থাপন করেন বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকুলার বায়োলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. ফুয়াদ হোসেন। বিষয়টির ওপর সংক্ষিপ্ত আলোকপাত করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতি ও প্রশাসন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক আতাউর রহমান খান। সেমিনারে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর প্রস্তাবনার অর্থনৈতিক দিক তুলে ধরেন অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষক শামীমা সুলতানা। সেমিনারে আরও বক্তব্য রাখেন রাজনীতি ও প্রশাসন বিভাগের সিনিয়র প্রভাষক ড. মো. আলী আজম খান।

অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষক শামীমা সুলতানা বলেন, ‘সরকার একদিকে শিক্ষা খাতকে গুরুত্ব দিচ্ছেন, অন্যদিকে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ওপর ১৫ শতাংশ করারোপ করেছে, যা শিক্ষার ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। যদি কর আরোপ করতেই হয় তাহলে এমপিওভুক্ত ও সরকারি স্কুল এবং কলেজের বেসরকারি ফান্ডে যে কোটি কোটি টাকা রয়েছে তার ওপর করতে হবে। এছাড়া বড় হাসপাতালকে ১০ বছর আয়করমুক্ত রাখা, অন্যদিকে ছোট ছোট হাসপতালের যন্ত্রপাতি আমদানির ওপর অধিক কর ধার্য সরকারের দ্বিমুখী নীতি ও চিকিৎসা সেবার পথে অন্তরায়।’