১১ জানুয়ারি গণঅবস্থান কর্মসূচি

পাঁচ শতাধিক জমায়েত নিয়ে গণতন্ত্র মঞ্চের গণমিছিল

ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা ও রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক রূপান্তরের দাবিতে বিএনপির সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলনের অংশ হিসেবে গণমিছিল করেছে গণতন্ত্র মঞ্চ। অন্তত পাঁচ শতাধিক জমায়েত নিয়ে শুক্রবার (৩০ ডিসেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনের থেকে দুপুর সোয়া ১২টায় এই গণমিছিল শুরু হয়ে তা দৈনিক বাংলা মোড় গিয়ে শেষ হয়।

গণমিছিল শুরুর পূর্বে মঞ্চের পক্ষ থেকে এক বিক্ষোভ সমাবেশ আয়োজিত হয়।322670620_1075290270539062_5826055232338122343_n(1)

সমাবেশে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘ইতোমধ্যে আওয়ামী লীগের পতনের ঘণ্টা বেজে উঠেছে। গত দুই দিনে বাংলাদেশে দুটি ঘটনা ঘটেছে। সম্প্রতি বাংলাদেশে মেট্রোরেলের যুগে প্রবেশ করেছে, একই সাথে আওয়ামী লীগ জামানত হারানোর যুগে প্রবেশ করেছে। যারা দেশ ধ্বংস করতে চায় এরা নাগরিকের অধিকার কেড়ে নিতে চায়। বাংলাদেশের নাগরিকরা এটা হতে দেবে না। সেই জন্য আমরা গণতন্ত্র মঞ্চ আওয়াজ তুলেছি।’

বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, ‘আওয়ামী লীগ গায়ের জোরে ক্ষমতায় আছে। তারা ৩০ ডিসেম্বর গণতন্ত্র হরণ করেছে,  এটা মেনে নেওয়া যায় না, মেনে নেওয়া হবে না।’322309074_716940209769263_3112325042218276475_n

নতুন কর্মসূচি ১১ জানুয়ারি

সমাবেশ শেষে গণতন্ত্র মঞ্চের পক্ষ হতে ভাসানী অনুসারী পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু তাদের পরবর্তী কর্মসূচির ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, ‘বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ রাজবন্দীদের মুক্তি ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে ১১ জানুয়ারি প্রেসক্লাবের সামনে গণতন্ত্র মঞ্চ সকাল ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত গণঅবস্থান কর্মসূচি পালন করবে।’

সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক হাসনাত কাইয়ুম, ভাসানী অনুসারী পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল(জেএসডি) সাধারণ সম্পাদক স্বপন উদ্দীন, নাগরিক ঐক্যের সাধারণ সম্পাদক শহীদুল্লাহ কায়সার ও গণঅধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. রাশেদ খান।