‘ফ্যাসিবাদী শাসন’ প্রতিরোধে সংগঠিত হওয়ার আহ্বান বদরুদ্দীন উমরের 

‘ফ্যাসিবাদী শাসন, বাজারি শোষণ, লুণ্ঠন, দুর্নীতি, রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস ও সাম্রাজ্যবাদী হস্তক্ষেপ’-এর বিরুদ্ধে এক বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল। শুক্রবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকাল সাড়ে ৩টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সমাবেশ সভাপতিত্ব করেন জামুকার সভাপতি বদরুদ্দীন উমর। এসময় বক্তব্য দেন সংগঠনটির সম্পাদক ফয়জুল হাকিম, সজীব রায়, মজিবর রহমান ও ভুলন ভৌমিক। 

সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন ‘বাঙলাদেশ লেখক শিবির’-এর সভাপতি হাসিবুর রহমান, ‘বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন’-এর সভাপতি মিতু সরকার, ‘গণতান্ত্রিক যুব ফোরাম’-এর সাধারণ সম্পাদক জিকো ত্রিপুরা, ‘বাঙলাদেশ লেখক শিবির’-এর সাধারণ সম্পাদক কাজী ইকবাল, ‘ইউনাইটেড ডেমোক্রেটিক ওয়ার্কার্স ফ্রন্ট’-এর সহ-সাধারণ সম্পাদক প্রমোদ জ্যোতি চাকমা, ‘বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন’-এর সাধারণ সম্পাদক সৌরভ রায়, ‘পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ’-এর সাংগঠনিক সম্পাদক অমল ত্রিপুরা প্রমুখ। সমাবেশ পরিচালনা করেন ‘বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন ফেডারেশন’-এর সাধারণ সম্পাদক আমীর আব্বাস।

সভায় সভাপতির বক্তব্যে বদরুদ্দীন উমর বলেন, ‘আজকে শাসক শ্রেণির যে সংকট দেখা যাচ্ছে, তেমনি জনগণের সংগঠনেরও সংকট রয়েছে। ফ্যাসিবাদী শাসন উচ্ছেদের সংগ্রাম বেগবান করতে হলে শ্রমজীবী জনগণের সংগঠন গড়ে তুলতে হবে। সংগঠন ছাড়া ফ্যাসিবাদী শাসন মোকাবিলা করা যাবে না।’

অনুষ্ঠানে সংগঠনটির সম্পাদক ফয়জুল হাকিম বলেন, ‘শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী ফ্যাসিবাদী শাসন উচ্ছেদের সংগ্রাম গড়ে তুলতে শ্রমিক কৃষক নিপীড়িত জাতি ও জনগণের প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। গণআন্দোলনকে গণঅভ্যুত্থানে পরিণত করা ছাড়া পরিস্থিতি পরিবর্তন করা যাবে না।’

সংগঠনটির সম্পাদক সজীব রায় বলেন, ‘লুটেরা সন্ত্রাসী ব্যবসায়ী শ্রেণির স্বার্থে দেশ পরিচালিত হচ্ছে। এদের স্বার্থেই দেশে ফ্যাসিবাদী শাসন। ফ্যাসিবাদী শাসন উচ্ছেদের সংগ্রাম তাই এই লুটেরা ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে পরিচালিত করতে হবে।’

সংগঠনের আরেক সম্পাদক ভুলন ভৌমিক বলেন, ‘জনগণের হাতে ক্ষমতা আনার সংগ্রাম গড়ে তুলতে ১৮ দফা কর্মসূচির ভিত্তিতে আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।’

সমাবেশে ২৩ ফেব্রুয়ারি হতে ২৩ মার্চ মাসব্যাপী প্রচার ও জনসংযোগ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। সমাবেশ শেষে এক মিছিল শহরের বিভিন্ন রাস্তা প্রদক্ষিণ করে।