জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের অভিযোগ

রাজনৈতিক স্বাধীনতা কেড়ে নিতে ধর্মঘট নিষিদ্ধের বিল

জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল সভাপতি বদরুদ্দীন উমর ও সম্পাদক ফয়জুল হাকিম এক বিবৃতিতে বলেছেন, জনস্বার্থে নয়, সরকার জনগণের রাজনৈতিক স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়ার লক্ষ্যে ধর্মঘটকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে অত্যাবশকীয় পরিষেবা বিল জাতীয় সংসদে পেশ করেছে।

শুক্রবার (৭ এপ্রিল) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তারা এ অভিযোগ করেন।

দলের নেতা মিতু সরকার স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে মুক্তি কাউন্সিলের দুই নেতা উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার দেশের অর্থনীতিকে এক কৃষ্ণগহ্বরে নিক্ষেপ করেছে। সরকারের ছত্রচ্ছায়ায় অর্থনীতিতে চলছে অবাধ লুণ্ঠন, লাগামহীন বাজারি শোষণ ও বিদেশে অর্থপাচার।

একদিকে ক্রমেই মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি আর অন্যদিকে শ্রমিকদের প্রকৃত আয় হ্রাস পেয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে চলেছে উল্লেখ করে দুই নেতা বলেন, এই পরিস্থিতিতে জনগণের ওপর হাসিনা সরকারের ফ্যাসিবাদী শাসন দীর্ঘায়িত করতে ও জনগণের প্রতিরোধক্ষমতাকে অংকুরে বিনষ্ট করার লক্ষ্যে এই অত্যাবশকীয় পরিষেবা বিল জাতীয় সংসদে পেশ করেছে। ধর্মঘট করার গণতান্ত্রিক অধিকার নিষিদ্ধ করে শেখ হাসিনা সরকার নিজেদের আসল চেহারা উন্মোচন করেছে।

ধর্মঘট নিষিদ্ধের বিলের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো দেশের গণতান্ত্রিক শক্তির এক কর্তব্য বলে উল্লেখ করা হয় বিবৃতিতে।