এক দফা দাবিতে গণমিছিল করেছে গণতন্ত্র মঞ্চ

যুগপৎ আন্দোলনের অংশ হিসেবে সরকার পতনের এক দফা দাবিতে গণমিছিল করেছে ছয়টি রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে গঠিত জোট গণতন্ত্র মঞ্চ।

শনিবার (৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে থেকে পল্টন মোড় পর্যন্ত এই গণমিছিল করেন জোটের নেতাকর্মীরা।

এর আগে সরকারের পদত্যাগ, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে নির্বাচন, খালেদা জিয়াসহ সব রাজবন্দির মুক্তি ও সংবিধান সংস্কার করে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার এক দফা দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে গণমিছিলপূর্ব গণসমাবেশ করেন তারা।

গণ সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে জেএসডির সভাপতি আ স ম আব্দুর রব বলেন, তালবাহানা করে লাভ নেই। এই সরকারকে চলে যেতে হবে। এই সরকার ভুয়া। তারা ভুয়া তথ্য প্রচার করার চেষ্টা করে। বিদেশিদের কূটনৈতিক সম্পর্ক শেষ করে দিয়েছে৷ এই সরকারের গ্রহণযোগ্যতা তলানিতে ঠেকেছে।

নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, এই সরকার এখন ভারতের পা ধরা শুরু করে দিয়েছে। আজ যুক্তরাষ্ট্র থেকে বিবৃতি দিয়েছে, বাংলাদেশের ব্যাপারে আমাদের মতামত পরিবর্তন হয়নি। আমরা জনগণের ভোটাধিকার চাই। যতক্ষণ পর্যন্ত ভোটাধিকার প্রয়োগ না হবে, ততক্ষণ লড়াই চলবে।

বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, বিরোধী দলকে মোকাবিলা করার ক্ষমতা এই সরকারের নেই। ড. ইউনূসকে এখন প্রতিপক্ষ বানিয়েছে। রাজনৈতিকভাবে দেশের মানুষ আওয়ামী লীগকে পরাজিত করেছে। তাই ড. ইউনূসকে প্রতিপক্ষ বানিয়ে তাকে কীভাবে শাস্তির আওতায় আনা যায়, সেই চেষ্টা করছে। এই সরকারকে পদত্যাগ বাধ্য না করা পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে।

সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন গণসংহতি আন্দোলনের সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি, ভাসানী অনুসারী পরিষদের আহ্বায়ক শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের হাসনাত কাইয়ুম।