২৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ অনুমোদন গ্রামীণফোনের

গ্রামীণফোনের পরিচালনা পর্ষদ ২০২১ সালের জন্য পরিশোধিত মূলধনের ১২৫ শতাংশ হারে (অর্থাৎ, ১০ টাকার শেয়ারে ১২.৫০ টাকা প্রতি শেয়ার) চূড়ান্ত নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর ফলে, এ নগদ লভ্যাংশের পরে পরিশোধিত মূলধনের মোট লভ্যাংশের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৫০ শতাংশ, যার মধ্যে রয়েছে পূর্ববর্তী ১২৫ শতাংশ অন্তর্বর্তীকালীন নগদ লভ্যাংশ, যা ২০২১ সালের কর পরবর্তী মুনাফার ৯৮.৯১ শতাংশ।

মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) গ্রামীণফোনের ২৫তম বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) এ ঘোষণা দেওয়া হয়। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এ বছর ধারাবাহিকভাবে তৃতীয়বারের মতো ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বার্ষিক সাধারণ সভা পরিচালনা করলো গ্রামীণফোন।       

গ্রামীণফোনের কোম্পানি সচিব এস এম ইমদাদুল হকের পরিচালনায় ভার্চুয়াল সভায় অংশ নেন গ্রামীণফোনের বোর্ড চেয়ারম্যান ইয়র্গেন সি. অ্যারেন্টজ রোস্ট্রাপ ও প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী ইয়াসির আজমানসহ বোর্ড সদস্য এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

বোর্ড চেয়ারম্যান ইয়র্গেন সি. অ্যারেন্টজ রোস্ট্রাপ বলেন, ‘প্রত্যাশিত প্রবৃদ্ধি অর্জনের জন্য আমরা নেটওয়ার্ক ও তরঙ্গের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বিনিয়োগ করেছি এবং অত্যাধুনিক ও ভবিষ্যৎ উপযোগী সক্ষমতাসম্পন্ন নেটওয়ার্ক অপারেটিং পার্টনার অন্তর্ভুক্তিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণে সচেষ্ট রয়েছি।’

গ্রামীণফোনের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উন্নত কাভারেজ ও গ্রাহকদের প্রয়োজন অনুযায়ী উদ্যোগ গ্রহণে গ্রামীণফোন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কার্যক্রমগত দক্ষতা এবং সঠিক কৌশল নির্ধারণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। গ্রাহকদের সেরা কানেক্টিভিটি অভিজ্ঞতা ও দেশের ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধিকে এগিয়ে নিতে টেক সার্ভিস লিডার গ্রামীণফোন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কর্তৃক আয়োজিত ফাইভজি’র তরঙ্গ নিলামে অংশ নিয়ে ২.৬ গিগাহার্টজ ব্যান্ডে সর্বোচ্চ বরাদ্দকৃত ৬০ মেগাহার্টজ তরঙ্গ ক্রয় করে।

এছাড়াও, ডিজিটাল রূপান্তর ও পরিবেশ সুরক্ষার বিষয়টি বিবেচনা করে গত ২৫ এপ্রিল গ্রামীণফোন গ্রাহকদের জন্য ই-সিম নিয়ে এসেছে। যাত্রা শুরুর পর থেকে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক অবদান রেখে গ্রামীণফোন পথচলার ২৫ বছর সম্পন্ন করেছে।