চীনের গুয়াংজু শহরে ‘চায়না আমদানি ও রফতানি মেলা’ বা ‘ক্যান্টন ফেয়ারে’ চতুর্থবারের মতো অংশ নিয়েছে ইলেকট্রনিক্স ব্র্যান্ড ওয়ালটন। গত ১৫ থেকে ১৯ অক্টোবর মেলার প্রথম ধাপ অনুষ্ঠিত হয়। এই মেলা ওয়ালটনের ব্যাপক সাফল্য পেয়েছে, সৃষ্টি হয়েছে বিভিন্ন দেশে ব্যবসা সম্প্রসারণের সুযোগ। রবিবরা (২৭ অক্টোবর) ওয়ালটনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগের মতো এবারও বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ক্যান্টন ফেয়ারে আসা ইলেকট্রনিক্স ও ইলেকট্রিক্যাল পণ্যের ব্যবসায়ী, আমদানিকারকদের কাছ থেকে ব্যাপক সাড়া পেয়েছে ওয়ালটনের আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) সমৃদ্ধ পরিবেশবান্ধব স্মার্ট ফ্রিজ, এসি, টিভিসহ বিভিন্ন প্রযুক্তিপণ্য। ক্যান্টন ফেয়ার থেকে ওয়ালটনের বিপুল অঙ্কের পণ্য রফতানির সুযোগ তৈরি হয়েছে।
ওয়ালটনের গ্লোবাল বিজনেস শাখার ভাইস-প্রেসিডেন্ট ও ক্যান্টন ফেয়ারে ওয়ালটন প্যাভিলিয়নের প্রধান সমন্বয়ক আব্দুর রউফ জানান, অতীতের মতো এবারও ক্যান্টন ফেয়ারে আশাতীত সাফল্য অর্জন করেছে ওয়ালটন। মেলার আন্তর্জাতিক জোনে ওয়ালটন প্যাভিলিয়নে এক জায়গাতেই বিশ্বের সর্বাধুনিক প্রযুক্তির রেফ্রিজারেটর, এয়ার কন্ডিশনার, ফ্যান, ব্যাটারি, কম্পিউটার মনিটর, ল্যাপটপ, টিভি, কম্প্রেসর, মোবাইলের মাদারবোর্ড বা পিসিবিএ পণ্য প্রদর্শন করায় প্রতিদিনই ব্যাপক ক্রেতা সমাগম হয়েছে। ওয়ালটনের এআই এবং আইওটি বেজড বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব স্মার্ট ফ্রিজ, এসি, টিভিসহ অন্যান্য পণ্যের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি, ফিচার, নিখুঁত ফিনিশিং, উচ্চ গুণগতমান দেখে ক্রেতারা মুগ্ধ হন।’
ওয়ালটনের চিফ মার্কেটিং অফিসার গালীব বিন মোহাম্মদ বলেন, ‘ক্যান্টন ফেয়ারের মাধ্যমে আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ ও আমেরিকা অঞ্চলের বিভিন্ন দেশের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে ওয়ালটনের এক সেতুবন্ধন তৈরি হয়। বিশ্বের বেশ কয়েকটি নতুন দেশে ওয়ালটনের ব্র্যান্ড বিজনেস সম্প্রসারণের বিশাল সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। মেলায় কোরিয়া, চীন, ভারত, সৌদি আরব, আরব-আমিরাত, রাশিয়া, উজবেকিস্তান, ফ্রান্স, জার্মানি, স্পেন, ইয়েমেন, মালদ্বীপ, ফিজি, ইরাক, কাজাখিস্তান, আফগানিস্তান, নাইজেরিয়া, মেক্সিকো, গ্যাবন, পানামা, ডমিনিকান রিপাবলিক, পেরুসহ দক্ষিণ ও উত্তর আমেরিকার বেশ কিছু দেশের ইলেকট্রনিক্স পণ্যের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা ওয়ালটন প্যাভিলিয়ন পরিদর্শন করেছেন। তাদের মধ্যে বিভিন্ন দেশের শ’খানেক ব্যবসায়ী ইতোমধ্যে ওয়ালটন থেকে ফ্রিজ, এসি, টিভি, ফ্যানসহ বিভিন্ন প্রযুক্তিপণ্য নেওয়ার বিষয়ে আগ্রহ দেখিয়েছেন।’