আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশের (এআইইউবি) আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে চতুর্থ আন্তর্জাতিক সম্মেলন ‘ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন কম্পিউটিং অ্যাডভান্সমেন্ট’ (আইসিসিএ ২০২৬)। ১৫ ও ১৬ অক্টোবর দুই দিনব্যাপী এ সম্মেলনে কম্পিউটিং প্রযুক্তির অগ্রগতি, সাম্প্রতিক উদ্ভাবন ও গবেষণার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন দেশি-বিদেশি গবেষক, বিজ্ঞানী, শিক্ষাবিদ ও প্রযুক্তিবিশেষজ্ঞরা।
আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, এবারের সম্মেলনে ১৭টি দেশ থেকে ৯০০টির বেশি গবেষণাপত্র জমা পড়ে। এর মধ্যে ২১৪টি গবেষণাপত্র উপস্থাপনের জন্য নির্বাচিত হয়। নির্বাচিত গবেষণাপত্রগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, জাপান ও কানাডাসহ বিভিন্ন দেশের গবেষকদের কাজ রয়েছে।
সম্মেলনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), মেশিন লার্নিং, ইন্টারনেট অব থিংস (আইওটি), সাইবার নিরাপত্তা, ডেটা সায়েন্স ও ব্লকচেইন প্রযুক্তিসহ কম্পিউটিংয়ের বিভিন্ন ক্ষেত্রে গবেষণা ও উদ্ভাবনের বিষয় তুলে ধরা হয়।
আইসিসিএ ২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন এআইইউবির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, ট্রাস্টি বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতির সেক্রেটারি জেনারেল ইশতিয়াক আবেদীন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য ড. কারমেন জেড. লামাগনা, উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের সহযোগী ডিন এবং সম্মেলনের জেনারেল চেয়ার অধ্যাপক ড. খন্দকার তাবিন হাসান, অনুষদের ডিন ও সম্মেলনের প্রোগ্রাম চেয়ার অধ্যাপক ড. দীপ নন্দী এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক।
১৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন এআইইউবির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ও প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ড. হাসানুল এ. হাসান। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য নাদিয়া আনোয়ার, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আব্দুর রহমানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সম্মেলনে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, রেজিস্ট্রার, প্রক্টর, পরিচালক, শিক্ষক, গবেষক, প্রযুক্তিবিশেষজ্ঞ এবং দেশি-বিদেশি অংশগ্রহণকারীরা যোগ দেন। সমাপনী অনুষ্ঠানে আয়োজক ও অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সনদ ও সম্মাননা স্মারক বিতরণ করা হয়।
আয়োজকদের আশা, এ সম্মেলনের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের গবেষক ও প্রযুক্তিবিশেষজ্ঞদের মধ্যে জ্ঞান বিনিময়, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং যৌথ গবেষণার সুযোগ বাড়বে।