দু প্লেসিসের ওই মুহূর্তের ভিডিওটি আইসিসি যে পর্যবেক্ষণ করছিল জানতেন না আমলা। আইসিসির তদন্তের বিষয়ে কথা উঠলে তিনি বলেন, ‘তাই নাকি?’। ভিডিওতে দেখা গেছে, মুখের মধ্যে মিষ্টিজাতীয় খাবার রেখে সেই লালা দিয়ে বলের অবস্থা বদলানোর চেষ্টা করছেন। আমলা ওইসব তদন্তকে পাত্তা দিচ্ছেন না, ‘তদন্ত হোক বা না হোক আমরা কোনও অপরাধ করিনি এবং ফাফও নয়।’
মাঠে খেলোয়াড়দের মুখের মধ্যে কিছু না কিছু থাক বলে আত্মপক্ষ সমর্থন করলেন দলের অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান, ‘যখন ফিল্ডিং করি তখন আমি চুইংগাম চিবাতে থাকি। আপনারা কি চান আমি মধ্যাহ্নভোজের পর প্রতিবার দাঁত ব্রাশ করে আসি? এনিয়ে আপনাদের যুক্তিবাদী হতে হবে, সাধারণ কাণ্ডজ্ঞাণ থাকা উচিত।’
রিভার্স সুইং করাতে হলে যে চিনিযুক্ত মিষ্টি দিয়ে বলের অবস্থা বদলানো যায় সেটা জানা ছিল না আমলার, ‘ওটা কি একটা উপায়? এমন প্রমাণ কি পাওয়া গেছে?’ মার্কুস ট্রেসকোথিক তার আত্মজীবনীতেই এমন উপায়ের কথা লিখেছিলেন। সিরিজে দক্ষিণ আফ্রিকানদের আধিপত্যে বড় ধরনের ধাক্কা দিতে এমন অভিযোগ আনা হয়েছে মনে করেন আমলা। তিনি আরও বলেছেন, পুরো দক্ষিণ আফ্রিকান ক্যাম্প দু প্লেসিসকে নির্দোষ ভাবেন, ‘আমি যেটা পরিষ্কার করার চেষ্টা করছি সেটা হলো আমাদের অধিনায়কের বিরুদ্ধে পুরোপুরি মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়েছে মনে করি আমরা। কোনও সন্দেহজন কিছু হলে আপনারা একসঙ্গে পুরো দলকে এখানে পেতেন না।’
/এফএইচএম/