তাহলে কি অতিথিদের মধ্যে চাপ তৈরি হয়েছে। চাপে পড়েই আগে ভাগে কৌশল জানাতে চাইছেন না স্মিথরা! অসিদের কাছে এর ব্যাখ্যা থাকলেও অস্ট্রেলিয়ানদের ঐতিহ্য ভাঙাকে বাংলাদেশের নৈতিক জয় হিসেবে দেখছেন মুশফিক, ‘হ্যাঁ, নৈতিক জয়তো অবশ্যই। তারা হয়তো চাপে আছে। আবার চাপে থাকলেই যে তারা হেরে যাবে, তা কিন্তু নয়! তারা অনেক পেশাদার একটা দল। তারা জানে তাদের কী করতে হবে। এটাও সত্য যে, গত টেস্টে তারা যে লড়াইয়ের মুখোমুখি হয়েছে, তাতে তারা জেনে গেছে যে হোম কন্ডিশনে আমরা কতোটা ‘ভয়ঙ্কর’।’
স্মিথ অবশ্য উইকেট দেখতে না পেরেই দল ঘোষণা না হওয়ার ব্যাখ্যা দিলেন। যদিও তার কথাতেই বোঝা যাচ্ছিল, বিষয়টি তাদের কৌশলেরই অংশ, ‘আলোচনা কিছুটা হয়েছে। তবে আমরা একাদশ জানাব কাল টসের সময়। আরেক দফা উইকেট দেখার প্রয়োজন আছে, এখন সেটি ঢেকে রাখা হয়েছে। বৃষ্টির কারণে আজকে এখনও দেখতে পারিনি। আশা করি আমাদের অনুশীলনের সময় বৃষ্টি থাকবে না (অস্ট্রেলিয়া অনুশীলন করেনি), উইকেট দেখতে পারব। এরপর খানিকটা ধারণা নিতে পারব দল কেমন হওয়া উচিত।’
রবিবার দুপুর থেকে চট্টগ্রামের আকাশে মেঘ থাকলেও বৃষ্টি নেই। আবহাওয়া রিপোর্ট অনুযায়ী আগামী ২৪ ঘণ্টা ভারী বৃষ্টিপাতের আশঙ্কাও নেই। বৃষ্টি কমার পর আউটফিল্ড কিছুটা ভেজা থাকায় মূল মাঠে অনুশীলন করেনি স্মিথররা। তারপরও উইকেটের কভার সরানোর পর উইকেট দেখেই হোটেলে ফিরেছেন অতিথি দলের অধিনায়ক-কোচ-ম্যানেজার।
তারপরও সোমবার সকালটুকু দেখেই একাদশের ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানালেন স্মিথ, ‘আমার মনে হয় না বৃষ্টি হবে, আবহাওয়ার পূর্বাভাস খুব ভালো। তারপরও মাঠে এসে আমরা যদি দেখি বৃষ্টি হচ্ছে; তখন আবার সিদ্ধান্ত বদল হলেও হতে পারে। আশা করি, আজকে উইকেট দেখার সুযোগ পাব। একটা পরিষ্কার ধারণা নিতে পারব যে কীভাবে আমাদের এগোনো উচিত।’
শনিবারের উইকেট দেখে স্মিথের ধারণা ঢাকার মতোই স্পিন ধরবে এই উইকেট, ‘গত কালকে (শনিবার) একটু সময় দেখেছি উইকেট। মনে হয়েছে, ঢাকার মতো এতটা বাউন্স করবে না। সময়ের সঙ্গে স্পিন ধরবে।’