স্যামুয়েলসের ব্যাটে কুমিল্লার সংগ্রহ ১৪৫

হাফসেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন স্যামুয়েলস। ২০১৬ সালে বহিষ্কৃত হয়েছিল সিলেট। এবার সেই দলটিই যাত্রা শুরু করেছে সিলেট সিক্সার্স নামে। উদ্বোধনী দিনে হারিয়ে দিয়েছে গত আসরের চ্যাম্পিয়ন ঢাকা ডায়নামাইটসকে। রবিবারও সেই সিলেট খেলতে নামে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের বিপক্ষে।  টস জিতে বোলিং করে কুমিল্লাকে ১৪৫ রানে আটকে দিয়েছে সিলেট সিক্সার্স। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৪৫ রান সংগ্রহ করেছে কুমিল্ল ভিক্টোরিয়ান্স।

ইনজুরিতে থাকায় আজকে কুমিল্লা একাদশে ছিলেন না তামিম। তাই ওপেনিংয়ে নেমেছিলেন লিটন দাস ও ইমরুল কায়েস। শুরুটা দুর্দান্ত ভঙ্গিতে শুরু করেন এই দুজন। তবে পঞ্চম ওভারে সিলেট অধিনায়ক নাসির বল করতে আসলে সেই শুরু খানিকটা হোঁচট খায়। পরাস্ত হয়ে বোল্ড হন ইমরুল কায়েস (১২)। পরের ওভারে আক্রমণে আসেন স্পিনার তাইজুল। সেই তাইজুলের বলে খেলতে খুব বেশি বাইরে এসেছিলেন লিটন। তাকেও স্টাম্পড করে দেন নুরুল হাসান। ১৯ বলে ২১ রানে ফেরেন লিটন। যাতে ছিল ২টি চার ও একটি ছয়। এক ওভার পর ফের বোলিংয়ে আসলে ইংলিশ তারকা জশ বাটলারকেও সাজঘরে ফেরান তাইজুল। এরপর কিছুটা অস্বস্তিতে পড়ে যায় কুমিল্লার ব্যাটসম্যানরা। সেই অবস্থা থেকে দলকে টেনে তোলার চেষ্টা করেন অলক কাপালি ও মারলন স্যামুয়েলস। কিছু মেরে খেলার চেষ্টা করেছিলেন কাপালি। ১ চার ও দুই ছক্কায় ১৯ বলে ২৬ রান তুলেন তিনি। তাকে অবশ্য পরে বিদায় করেন সান্তোকি।

কাপালির সঙ্গী মারলন স্যামুয়েলস অবশ্য ইনিংস এগিয়ে নিয়েছেন ঠিকই। ৪৭ বলে বিদায় নিয়েছেন সর্বোচ্চ ৬০ রানে। তাতে ছিল ২টি চার ও ৩টি ছয়। এরমাঝে অবশ্য মোহাম্মদ নবি ৫ রানের বেশি করতে পারেননি। তাকে শুভাগত হোমের তালুবন্দী করেন সান্তোকি। শেষ দিকে অপরাজিত ছিলেন ডোয়াইন ব্রাভো (১১) ও মোহাম্মদ সাউফউদ্দিন (১)।

সিলেটের পক্ষে ক্রিশমার সান্তোকি ও তাইজুল ইসলাম দুটি করে উইকেট নেন। একটি করে লিয়াম প্লাঙ্কেট ও নাসির হোসেন।