ঘটনা ঘটেছিল গত অক্টোবরে। পুনেতে নিউজিল্যান্ড ও ভারতের মধ্যে দ্বিতীয় ওয়ানডের আগে সরব হয়ে উঠে ইন্ডিয়া টিভি। তাদের স্টিং অপারেশনে বলা হয় পান্ডুরাংকে ছদ্মবেশী বাজিকরের চাহিদা অনুযায়ী পিচের বিকৃতি ঘটানোর দাবি করতে দেখা গেছে। তাজ্জব হওয়ার মতো বিষয় ছিল সালগাওকর স্টিং অপারেশনকারী সাংবাদিককে নিয়ে যে পিচে খেলা হবে সেই পিচ পর্যন্তও নিয়ে যান।
অবশ্য বিতর্কে এবারই জড়াননি সালগাওকর। গত বছরের শুরুতে তার কারণে ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার প্রথম টেস্টে বাজে পিচের জন্যে আইসিসির কাছ কথা শুনতে হয় বিসিসিআইকে। যেখানে পুনের পিচকে ‘বাজে’ উল্লেখ করা হয় আইসিসির রিপোর্টে।
ইন্ডিয়া টুডে স্টিং অপারেশনে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠালে শুরুতে গত অক্টোবরে নিষিদ্ধ করে মহারাষ্ট্র ক্রিকেট। তবে আইসিসি তার বিরুদ্ধে কোনও দুর্নীতির প্রমাণ খুঁজে পায়নি। পুনের কিউরেটরের বিরুদ্ধে শাস্তি আনা হয়েছে ভিন্ন প্রসঙ্গে। দুর্নীতির খবর জানাতে ব্যর্থ হওয়াতেই তার বিরুদ্ধে শাস্তির আদেশ দিয়েছে বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থা।
শাস্তি পেলেও তার তারিখ পিছিয়ে কার্যকর করেছে আইসিসি। ২০১৭ সালের ২৫ অক্টোবর এই তারিখ কার্যকর হওয়াতে এই কিউরেটর ফিরতে পারবেন ২৪ এপ্রিল।