দ্বিতীয় ম্যাচে সাকিবের এক উইকেট

বল হাতে একটি উইকেট নেন সাকিব।প্রত্যাশার চাপটা সামলেই চলছেন সাকিব আল হাসান।  সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে দ্বিতীয় ম্যাচেও অসাধারণ নৈপুণ্যে ঝলক দেখিয়েছেন। বল হাতে সফল তো ছিলেনই, ফিল্ডিংয়েও ছিলেন পেশাদার। তাদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে বৃহস্পতিবার টস হেরে ৭ উইকেটে ১৪৭ রানের লক্ষ্য দাঁড় করিয়েছে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স।    

শুরুতে ফিল্ডিংয়েই ঝলক দেখান সাকিব। স্ট্যানলেকের বল হালকা বাতাসে উঠিয়েছিলেন মুম্বাই অধিনায়ক রোহিত শর্মা। স্কয়ার লেগে দারুণভাবে সামনে ডাইভ দিয়ে নিচু ক্যাচ লুফে নিতে ভুল করেননি সাকিব। তাতে মুম্বাইয়ের অধিনায়ক ভয়ানক হয়ে উঠার আগেই ফেরেন সাজঘরে।  অবশ্য এর আগে একটি ছয় ও চার মেরে বার্তা দিচ্ছিলেন ঝড়ের।  কিন্তু সাকিবের অসাধারণ ফিল্ডিংয়ে বিদায় নিতে হয় ১১ রানে।

কিছুক্ষণ ধাক্কা সামলানোর পর দলীয় ৪৮ রানে ইশান কিশানকে তালুবন্দি করেন কৌল।  লুইস অবশ্য অপরপ্রান্তে মেরে খেলতে থাকেন। ১৭ বলে দুটি ছয় ও ৩টি চারের মেরে রানের চাকা সচল রাখেন।  ব্যক্তিগত ২৯ রানে তাকে বোল্ড করেন কৌল।

হার্দিক পান্ডিয়াকে অবশ্য নিজের দ্বিতীয় ওভারে সাজঘরে পাঠান সাকিব। আগ্রাসী হওয়ার চেষ্টা করলেও সাকিবের বলে সফট ডিসমিসালের শিকার হন পান্ডিয়া।  ফেরেন ১৫ রানে।  তার ১০ বলের ইনিংসে ছিল ২টি চার।

থিতু হওয়ার মতো লক্ষণ দেখা যায়নি শেষ দিকেও। মাঝে কিয়েরন পোলার্ড ২৩ বলে ২৮ রান তুললেও সেই ঝড়ও সামলে নেয় সানরাইজার্স। তাকে ফেরান স্ট্যানলেক। এরপর সেভাবে প্রতিরোধ গড়তে পারেনি মুম্বাই। ৮ উইকেট হারিয়ে করে ১৪৭ রান।

হায়দরাবাদের পক্ষে ৪ ওভারে ১ উইকেট নিলেও খরুচে ছিলেন সাকিব। দিয়েছেন ৩৪ রান। দুটি উইকেট করে নিয়েছেন সন্দিপ শর্মা, স্ট্যানলেক ও সিদ্ধার্থ কৌল। বেশি রান দিয়েছেন স্ট্যানলেক। তবে সবচেয়ে বেশি ইকোনমিক্যাল ছিলেন রশিদ খান। ৪ ওভারে মাত্র ১৩ রান দিয়ে ১ উইকেট নিয়েছেন আফগান তারকা। আগের ম্যাচে দুটি উইকেট নিয়েছিলেন সাকিব।