বিপিএলে প্রতিবারের মতো প্রাধান্য থাকে পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের। পাকিস্তানের ঘরোয়া মৌসুম চলে সেপ্টেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত। তাই এই নিয়মের বাধ্যবাধকতার ফলে এই সময়ে বিপিএল, টি-টেন লিগ ও বিগ ব্যাশে খেলার সুযোগ পাবেন না তারকা ক্রিকেটাররা। শুধু মাত্র ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ ও টি-টোয়েন্টি ব্ল্যাস্টে খেলার সুযোগ মিলবে পাকিস্তানিদের!
এমন নিয়মের ওপর কড়াকড়ি আরোপ করতে এনওসি বা অনাপত্তি দেওয়ার ক্ষেত্রেও নিয়ম মেনে চলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পিসিবি। এই লিগের ক্ষেত্রে পাকিস্তান সুপার লিগ অন্তর্ভুক্ত থাকবে কিনা তা এখনও নিশ্চিত নয়।
পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের এমন সিদ্ধান্তের পেছনে কারণটাও যুক্তিসঙ্গত। গত বছর টানা লিগ খেলার কারণে তাদের ফিটনেস ও চোটপ্রবনতা প্রভাব ফেলেছিল জাতীয় দলের পারফরম্যান্সের ওপর। এমন পড়তি ফিটনেসের কারণে পাকিস্তানের হেড কোচ মিকি আর্থার শতভাগ ফিটনেসের ওপর জোর দিয়ে আসছিলেন। উদাহরণ হিসেবে বলা যায় ওয়াহাব রিয়াজের কথা। ফিটনেস ইস্যুতে তাকে বাদ দেওয়া হয়েছে সদ্য চালু হওয়া ক্যাম্প থেকে!
সবচেয়ে বেশি ক্ষতিটা চোখে পড়ে পাকিস্তানের নিউজিল্যান্ড সফরে। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ, বিগ ব্যাশ ও নতুন নিয়মের টি-টেন লিগে খেলে আসা ক্রিকেটারদের ফিটনেস নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিলেন মিকি আর্থার। তাই উপায় না পেয়ে পিসিবি ক্রিকেটারদের ইচ্ছেমতো লিগ খেলার ওপর রাশ টেনে ধরে রাখতে চাইছে।
গতবারও এমন কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছিল। তবে সেবার কেন্দ্রীয় চুক্তির ক্রিকেটারদের নিয়ে এমন পথে হেঁটেছিল পিসিবি। এবার পিসিবির পদক্ষেপটা আরও কড়া। এ প্রসঙ্গে পিসিবি জানিয়েছে, ‘কেন্দ্রীয় চুক্তিতে থাকা ক্রিকেটাররা দুটি লিগে খেলার সুযোগ পাবে। আর চুক্তির বাইরে থাকা ক্রিকেটারদের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ম্যাচ খেলতে হবে তিনটি। তাতেই এনওসি মিলবে ক্রিকেটারদের।’
অবশ্য অবসরে থাকা তারকাদের ক্ষেত্রে কোনও বাধ্যবাধকতা রাখা হয়নি। তাদের এনওসির প্রয়োজন নেই। তবে আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী অবসরে থাকা ক্রিকেটারদের এনওসির বাধ্যবাধকতা রয়েছে।