এই ম্যাচে বার্সার হয়ে গোলের দেখা পেয়েছেন নতুন তারকা ম্যালকম। ৬ মিনিটে রাফিনহার গোলের পর ৪৯ মিনিটে গোল করেন ম্যালকম। তাতেও হার এড়াতে পারেনি বার্সা। রোমার হয়ে প্রথমার্ধের ৩৫ মিনিটে একটি গোল শোধ করেন এল শারাওয়ি।
দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণে ধার বাড়িয়ে জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে রোমা। তাদের আক্রমণের মুখে পেরে ওঠেনি বার্সেলোনা। দ্বিতীয়ার্ধে গুনে গুনে আরও তিনবার ৭৮, ৮৩ ও ৮৬ মিনিটে বার্সার জাল কাঁপায় তারা। তাতে রোমার জয় নিশ্চিত হয় ৪-২ গোলে। অথচ এই রোমার হয়েই শুরুতে দলে যোগ দেওয়ার কথা ছিল ম্যালকমের। কিন্তু ম্যালকমকে ছিনিয়ে নিয়ে বার্সা তাকে পরীক্ষা করার দারুণ সুযোগ পেলো সেই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে খেলিয়েই।
রিয়াল মাদ্রিদ অবশ্য জ্বলে উঠা পারফরম্যান্স দেখাতে পারেনি। ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো ও জিনেদিন জিদান পরবর্তী যুগে খাপ খাইয়ে নেওয়ার যুদ্ধে শুরুটা ছিল হতাশায় ভরা। উল্টো চোট শঙ্কায় কাটানো ম্যানইউকে ১৮ মিনিটে এগিয়ে নেন অ্যালেক্সিস সানচেস। ২৭ মিনিটে অ্যান্ডার হেরেরার গোলে ব্যবধান দাঁড়ায় ২-০। প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে একটি গোল শোধ দেয় রিয়াল মাদ্রিদ। ৪৫+৩ মিনিটে গোলটি করেন বেনজিমা। দ্বিতীয়ার্ধে আর ব্যবধান বাড়াতে পারেনি কোনও পক্ষ।