ইমরান খানের শপথে যাওয়া হচ্ছে না গাভাস্কার-কপিলের

ইমরান খানের সঙ্গে কপিল দেব।এমনিতে ক্রিকেটে খুব একটা দেখা হয় না পাকিস্তান ও ভারতের। তার পরেও ক্রিকেটীয় সৌহার্দ্য বজায় রাখতে অগ্রসর হওয়ার পরিকল্পনায় ছিলেন পাকিস্তানের হবু প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। ক্রিকেটের ২২ গজ থেকে রাজনীতির মাঠে গেলেও ভুলে যাননি মাঠের পুরনো প্রতিদ্বন্দ্বীদের। যারা মাঠের বাইরে ছিলেন বন্ধুজন। সেই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে ইমরান খান আমন্ত্রণ জানানোর পরিকল্পনা করেছিলেন সুনীল গাভাস্কার, কপিল দেব ও নভোজিৎ সিং সিধুকে। পরে অবশ্য সেই আয়োজন থেকে সরে এসেছে তার দল। এমন তথ্যই জানা গেছে তার দলের মুখপাত্র ফাওয়াদ চৌধুরীর কাছ থেকে।

শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানটি যে অনাড়ম্বর হতে যাচ্ছে সে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ফাওয়াদ চৌধুরী। তিনি জানান, ‘পিটিআই চেয়ারম্যান ইমরান খান আমাদের জানিয়েছেন যে তার শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানটি অনাড়ম্বর হবে।’

শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানোর কথা ছিল ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকেও। কিন্তু শেষ দিকে কৌশল পাল্টানোর কথা জানান তার দলের মুখপাত্র ফাওয়াদ, ‘ইমরান খান তার শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানটি সাধারণভাবেই শেষ করতে চাইছেন। প্রেসিডেন্ট ভবনে তার আসন্ন এই অনুষ্ঠানে কোনও বিদেশি প্রতিনিধি থাকছেন না। শুধু মাত্র ইমরান খানের কিছু ঘনিষ্ঠ বন্ধু সেখানে উপস্থিত থাকবেন। অনুষ্ঠানে কোনও বাড়তি ঝলকও থাকবে না।’

তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) এর চেয়ারম্যান ইমরান খান আগামী ১১ আগস্ট পাকিস্তানের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথগ্রহণ করবেন। ঐতিহাসিক এমন আয়োজনে শুরুতে বিদেশিদের আমন্ত্রণ জানানোর কথা থাকলেও ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে হঠাৎ করেই সেই পরিকল্পনা বদলে ফেলার সিদ্ধান্ত এলো।

নির্বাচনের জয়ের পর ক্রিকেটীয় অঙ্গন থেকে ভারতীয় কিংবদন্তি কপিল দেবই প্রথমবার শুভেচ্ছা জানান ইমরান খানকে। যদিও সিধুর শুভেচ্ছায় ছিল আবেগের ছোঁয়া, ‘শুদ্ধ আত্মা যিনি সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন।’

গাভাস্কার সবশেষ পাকিস্তান সফর করেছিলেন ক্রিকেটার হিসেবে। তখন রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত ছিল ভারতে। ১৯৯৮৪ সালে ভারত পাকিস্তান সফরে সিরিজ খেলতে গিয়েও ফিরে আসে না খেলে। পরিস্থিতি ঘোলাটে হয় ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী ইন্ধিরা গান্ধীকে হত্যা করা হলে। ঘটনার পর শিয়ালকোটে চলমান ওয়ানডে মাঝপথে পরিত্যক্ত হয়। একই সঙ্গে পরিত্যক্ত হয় পুরো সফরটি!