এর আগে ক্রিকেটারদের মানসিক শক্তি বাড়াতে কয়েক দফায় মনোবিদ আনার পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল। এবার অবশ্য ভিন্ন কারণে মনোবিদ আনার পরিকল্পনা। তরুণ ক্রিকেটারদের অনেকের মাঝে নৈতিকতা-মূল্যবোধের অভাব স্পষ্ট হয়ে ফুটে উঠছে। পরিস্থিতি সামলাতেই এই পথে হাঁটা। এ ব্যাপারে মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে বোর্ড প্রধান নাজমুল হাসান পাপন জানান, ‘আমরা একজন মনোবিদ নিয়ে আসার কথা ভাবছি। ক্রিকেটারদের নৈতিক বিষয়গুলোতে ট্রেনিং দেওয়া যায় কিনা তা ভেবে দেখা হচ্ছে। খেলোয়াড়দের কেবল খেলার ট্রেনিং দেওয়া হয়, এসব ব্যাপারেও ট্রেনিং দেওয়া জরুরি হয়ে পড়েছে। ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগ এখন যোগাযোগ শুরু করে দেবে।’
বিসিবি এর আগেও দুইজন মনোবিদকে এনেছিল। একজন অস্ট্রেলিয়ান মনোবিদ ডা. ফিল, অন্যজন কানাডা প্রবাসী আজহার খান। তারা দুইজনই ক্রিকেটারদের মানসিক দৃঢ়তা বাড়াতে কাজ করেছিলেন।
মনোবিদের বাইরে আরও কিছু প্রস্তাব নেওয়ার কথা ভাবছে বিসিবি। সফরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকবে কিনা এমন পদক্ষেপ নিয়েও ভাবছেন তারা। বিসিবি সভাপতি জানান, ‘যখন তারা ট্যুরে যাবে, তারা সোশ্যাল মিডিয়াতে যোগাযোগ বন্ধ করে রাখবে- এটা করবো কিনা তা এখনো সিদ্ধান্ত নেইনি। কিন্তু এটা নিয়ে গাইডলাইন তৈরি করছি। খেলোয়াড়রা কী কী করতে পারবে কিংবা পারবে না সেসবের তালিকা করে প্রত্যেককে দিয়ে সই করাবো। জোর করে কাউকে ভালো করানো যায় না। ওরা নিজেরা ভালো না হলে আমাদের কিছু করার নাই, চূড়ান্ত এবং কঠিন সিদ্ধান্ত নিতেই হবে।’
বিসিবির সঙ্গে গত সপ্তাহে রবি তাদের চুক্তি বাতিল করেছে। এই চুক্তি বাতিল দুঃখজনক উল্লেখ করে নাজমুল হাসান বলেছেন, ‘সারা বিশ্বেই আছে একই প্রতিদ্বন্দ্বীর সঙ্গে চুক্তি করা যায় না। রবি বলার পর কিন্তু প্লেয়ারদের চুক্তি বাতিল করিয়েছিল। তারপরও ওরা চলে যাবে। এটা আমরা ভাবিনি। এটা দুঃখজনক। অনেক ক্রিকেটারের ব্যক্তিগত চুক্তিও ছিল। তারপরও তারা চলে যাবে আশা করিনি। কিন্তু যেকোন চুক্তিতেই বাতিলের ধারা থাকে।’
খুব শীঘ্রই নতুন কোন কোম্পানির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী বোর্ড প্রধান। তবে কোন কারণে এশিয়া কাপের আগে না হলেও এই বছরের তিনটি সিরিজে আলাদা আলাদা ভাবে স্পন্সর নেবে বিসিবি, ‘আমাদের কাছে দুটি অপশন আছে। এখনই কাউকে লং টার্ম দিয়ে দেওয়া, আরেকটা হলো যেহেতু আর কয়েকটা মাস বাকি তাই সিরিজ অনুযায়ী করে জানুয়ারি থেকে আমরা লং টার্মে যাবো। আমার ধারনা ভালো কিছুই হবে।’