তরুণ পেসার সাউফউদ্দিনকে আনা হলে তিনি অধিনায়কের আস্থার প্রতিদান দেন সেই ওভারেই। তার শুরুর ওভারে মুশফিককে ক্যাচ দিয়ে ১৪ রানে ফেরেন অধিনায়ক হ্যামিল্টন মাসাকাদজা। বাজে সময়ে থাকা মাসাকাদজা ঠিক মতো ব্যাট করতে পারছিলেন না এই ম্যাচেও। সাউফের ওভারে তার ফুট ওয়ার্কেও সমস্যা হচ্ছিলো। যার প্রমাণটা পাওয়া গেলো পঞ্চম বলে। ড্রাইভ করতে গেলে ব্যাটের কোনায় লেগে তা জমা পড়ে মুশফিকের হাতে।
দ্রুত উইকেট পড়ে গেলেও রানের চাকা সচল রাখেন ওপেনার ঝুয়াও ও ব্রেন্ডন টেলর। দুই জনের ঝটপট রান তোলার গতিতে জুটি দাঁড়ায় ৫২ রানের। তাদের জুটিটা লম্বা হতে দেননি মিরাজ। উঠিয়ে মারতে গিয়ে ২০ রানে ফজলে মাহমুদকে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন ওপেনার ঝুয়াও। তবে অপরপ্রান্ত আগলে আছেন আরেক মারকুটে ব্যাটসম্যান টেলর। তার সঙ্গে শন উইলিয়ামসও থিতু হওয়ার চেষ্টায় আছেন।
এক পর্যায়ে দুই জনে ভর করে শত রানের কাছে পৌঁছালে মিরাজের বলে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়েন টেলর। অনফিল্ড আম্পায়ার আউট দিয়েছিলেন। টেলর রিভিউ নিলে নট আউট সিদ্ধান্ত বহাল থাকে। এর পর অবশ্য ৩৫তম হাফসেঞ্চুরি তুলে নেন অভিজ্ঞ এই ক্রিকেটার। তার ব্যাটে ভর করে অনায়াসে ১০০ রান পার করে সফরকারীরা।
ধীরে ধীরে ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে থাকেন টেলর। আগ্রাসী ভঙ্গিতে খেলতে থাকলে তাকে ফেরানোর কৌশল বেছে নিতে থাকে বাংলাদেশ। ৭৫ রান করে ফেলা অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যানকে অবশেষে ফেরান মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। এলবিডাব্লিউ হয়ে ফেরার আগে ৭৩ বলে ৯টি চার ও এক ছয়ে ইনিংস সাজান তিনি। জিম্বাবুয়ের সংগ্রহ ২৯.৫ ওভারে ৩ উইকেটে ১৪৭ রান। সিকান্দার রাজা এখনও রানের খাতা খোলেননি। আর শন উইলিয়ামস ব্যাট করছেন ৩২ রানে।