সিলেটের অভিষেক টেস্ট জয় দিয়ে স্মরণীয় করে রাখতে চায় বাংলাদেশ। ম্যাচ পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ তেমন প্রত্যাশার কথাই জানিয়েছেন। আগের ৭টি টেস্ট ভেন্যু জয় দিয়ে রাঙাতে পারেনি টাইগাররা। এবার ইতিহাস বদলানোর অপেক্ষায় স্বাগতিকরা। দলের সবার সংকল্প প্রতিধ্বনিত মাহমুদউল্লাহর কণ্ঠে, ‘ওয়ানডে সিরিজ জয়ের আত্মবিশ্বাস নিয়ে আমরা টেস্ট সিরিজে খেলতে নামবো। আমি সিরিজ জিততে আশাবাদী। ভেন্যুটা অনেক সুন্দর। আমরা জয় দিয়ে সিলেটের অভিষেক টেস্ট উদযাপন করতে চাই।’
এক সময় পিছিয়ে থাকলেও এখন জিম্বাবুয়ের চেয়ে অনেক এগিয়ে বাংলাদেশ। পরিসংখ্যানেই তা প্রতিফলিত। টেস্টে দুই দলের শেষ চারটি লড়াইয়েই বাংলাদেশ জয় পেয়েছে। এর মধ্যে ২০১৪ সালে বাংলাদেশ সফরে তিন ম্যাচের সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হয়েছিল জিম্বাবুয়ে। তবে অতীতের সাফল্যে এখনও এগিয়ে অতিথিরা। দুই দলের আগের ১৪টি টেস্টে বাংলাদেশ জিতেছে ৫টি, জিম্বাবুয়ে ৬টি, বাকি ৩ ম্যাচ ড্র।
তবে ম্যাচের আগের দিনও একাদশের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হয়নি। তিন পেসার নাকি তিন স্পিনার খেলানো হবে, তা নিয়ে সিদ্ধান্তহীনতায় টিম বাংলাদেশ। মোস্তাফিজুর রহমানের খেলা নিয়ে কিছুটা সংশয় রয়েছে। একাদশ সম্পর্কে সরাসরি কিছু জানাতে পারেননি মাহমুদউল্লাহ, ‘দলের কয়েকজন তরণ খেলোয়াড় একাদশে থাকা ডিজার্ভ করে। অপু-মিঠুন বেশ ভালো ফর্মে আছে। তারা আত্মবিশ্বাস নিয়ে নামতে পারলে দলেরই উপকার হবে।’
ওয়ানডে সিরিজে হোয়াইটওয়াশ জিম্বাবুয়ের প্রস্তুতি ভালো হয়নি টেস্ট সিরিজের আগে। চট্টগ্রামে তিন দিনের ম্যাচের দু দিনই ভেসে গেছে বৃষ্টিতে। জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক হ্যামিল্টন মাসাকাদজা হতাশার মাঝেই আশার আলো দেখতে পাচ্ছেন, ‘আমাদের প্রস্তুতি ভালো হয়নি। বৃষ্টিতে প্রস্তুতি ম্যাচের দুটি দিন নষ্ট হয়েছে। তারপরও আমরা মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছি। আশা করি, সিলেটে ঘুরে দাঁড়াতে পারবো। সেজন্য আমাদের ভালো খেলতে হবে। আমি আশাবাদী, ছেলেরা এখানে ভালো কিছু উপহার দিতে পারবে।’