জয়ের লক্ষ্যে মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ

GettyImages-914017890সিলেটে প্রথম টেস্ট জয়ে চতুর্থ দিন ব্যাট করছে বাংলাদেশ। জিম্বাবুয়ের ছুঁড়ে দেওয়া ৩২১ রানের লক্ষ্যে দিনের খেলাটা আজ শুরু হয়েছে আধ ঘণ্টা আগে। বাংলাদেশের সংগ্রহ বিনা উইকেটে ৩৪ রান। ব্যাট করছেন ইমরুল কায়েস ১৩ রানে ও লিটন দাস ২১ রানে।

আগের দিন দ্বিতীয় ইনিংসে জিম্বাবুয়েকে ১৮১ রানে গুটিয়ে দেয় বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে এগিয়ে থাকায় তাদের লিড দাঁড়ায় ৩২০ রান। তাইজুল ইসলাম দ্বিতীয় ইনিংসেও ছিলেন আগ্রাসী ভূমিকায়। তার ৫ উইকেট শিকার ছিলো এই ইনিংসে। আগের ইনিংসে নেন ৬ উইকেট। দিনের শেষ ভাগে বাংলাদেশ ২৬ রান তোলার পর আলোক স্বল্পতায় খেলা শেষ হয় নির্ধারিত সময়ের ৩৫ মিনিট আগে। তাই আজকে আগেই নেমেছে দুই দল।  

স্বাগতিকদের হাতে আরও দুইদিন বাকি থাকলেও চতুর্থ ইনিংসে এই রান যথেষ্ট চ্যালেঞ্জিং। প্রথম ইনিংসে ব্যর্থ হওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসে বড্ড ভয় পচা শামুকে না পা কেটে ফেলে বাংলাদেশ! এমন চ্যালেঞ্জে আবার পরিসংখ্যানও বাংলাদেশের বিপক্ষে। ২৩ টেস্টের মাত্র তিনটিতে চতুর্থ ইনিংসে ব্যাটিং করে জিতেছে স্বাগতিকরা।

সবচেয়ে বড় জয়টি ২০০৯ সালে সাকিবের নেতৃত্বে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তাদের মাটিতে। ২১৭ রান তাড়া করে চার উইকেটে জিতেছিল বাংলাদেশ। এছাড়া ঢাকায় ২০১৪ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ১০১ রান তাড়া করে তিন উইকেট জিতেছিল বাংলাদেশ। অন্যটি বাংলাদেশের শততম টেস্টে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। কলম্বোর পি সারা ওভারে ১৯১ রান তাড়ায় তৃতীয় ম্যাচটি জিতেছিল বাংলাদেশ ৪ উইকেটে।

অবশ্য সিলেট টেস্ট এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম। ভেন্যুটির প্রথম এই টেস্ট জিততে হলে বাংলাদেশকে আগের তিনটি রান তাড়া করার রেকর্ডকে পেছনে ফেলতে হবে। ৩২১ রানের লক্ষ্য ছুতে নতুন ইতিহাসও গড়তে হবে সেক্ষেত্রে। কারণ আগের ২০টি ম্যাচের অভিজ্ঞতা খুব একটা সুখকর নয় স্বাগতিকদের। এর মধ্যে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হারারেতে খেলা তিন ম্যাচে চতুর্থ ইনিংসে ব্যাটিং করে বড় ব্যবধানে হারের নজির আছে বাংলাদেশের।

২০১৩ সালে ৪৮৩ রানের জয়ের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ১৪৭ রানে অলআউট হলে জিম্বাবুয়ে ম্যাচ জেতে ৩৩৫ রানের ব্যবধানে। এছাড়া ২০০৯ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৬২৪ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে বাংলাদেশ ৪৬৫ রানে হেরেছিল। সবমিলিয়ে ২০টি ম্যাচে বাংলাদেশে চতুর্থ ইনিংসে ব্যাটিং করে হেরেছে।