দুই বছরেরও কম সময় স্টুয়ার্ট ল’ উইন্ডিজের কোচ থাকার পর বাংলাদেশ সফরে তাদের ভারপ্রাপ্ত কোচ ছিলেন নিক পথাস। স্টুয়ার্ট ল কাউন্টি দল মিডলসেক্সে চলে গেলে ফিল্ডিং কোচ পথাসকে দিয়ে আপদকালীন সময়টা সামাল দেয় ক্যারিবীয়রা। যদিও তাতে সফলতা মেলেনি। টেস্ট সিরিজ ২-০ তে আর ওয়ানডে সিরিজে হেরেছে ২-১ ব্যবধানে, টি-টোয়েন্টি সিরিজ অবশ্য জিতে নেয় ২-১ এ। কিন্তু বিশ্বকাপের আগে দলকে প্রস্তুত করতে সেই পাইবাসেরই দ্বারস্থ হয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ড। নতুন দায়িত্বে তিনি থাকবেন ২০১৯ বিশ্বকাপের পরবর্তী ভারত সিরিজ পর্যন্ত।
রিচার্ড পাইবাস ক্যারিবীয় বোর্ডের বিতর্কিত কিছু সিদ্ধান্ত চালু করেছিলেন। জাতীয় দলে বিবেচিত হতে ঘরোয়া ক্রিকেটে অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক করেছিলেন। তাতে অনেক অভিজ্ঞ ক্রিকেটার এখন ব্রাত্য হয়ে ধীরে ধীরে প্রায় বাতিলের খাতায় চলে গেছেন।
২০১৬ সালে পরিচালক হিসেবে মেয়াদ শেষ হলে গত ফেব্রুয়ারিতে পাইবাস ফের দায়িত্বপ্রাপ্ত হন হাইপারফরম্যান্স ডিরেক্টর হিসেবে। তখন তার ফেরাটা স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করেননি অনেকে। সাবেক ক্যারিবীয় ওপেনার ডেসমন্ড হেইন্সও ফেসবুকে লিখেছিলেন, ‘উইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ড প্রেসিডেন্টকে একটা প্রশ্ন করতে চাই তার নিয়োগ সম্পর্কে। আর সেটা হলো, এই পজিশনের জন্য বিজ্ঞাপনটা কখন দেওয়া হলো?’
বাংলাদেশেও বিতর্কিত কারণে মাত্র ৫ মাস দায়িত্বে ছিলেন পাইবাস। চুক্তি সংক্রান্ত জটিলতা আর বোর্ডের কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপের কারণ দেখিয়ে সরে দাঁড়িয়েছিলেন ২০১২ সালে।–ক্রিকইনফো।