রংপুর রাইডার্সে ৬ ম্যাচের জন্যই তার সঙ্গে চুক্তি হয়েছিলো। তবে কোয়ালিফায়ার রাউন্ডে উঠে এবি ডি ভিলিয়ার্সের সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ বাড়িয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা ছিলো রংপুরের। কিন্তু অবসরে চলে যাওয়া ডি ভিলিয়ার্স এখন পাক্কা পেশাদার একজন ক্রিকেটার। ৬ ম্যাচের বাইরে খেলার আগ্রহ নেই বলেই জানিয়ে দিয়েছেন ম্যানেজমেন্টকে। এর ব্যাখ্যায় অবশ্য বলেছেন, পরিবারকে সময় দেওয়াটাই এখন তার কাছে সব থেকে বড়। তাই ঢাকায় ২ ফেব্রুয়ারি কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের বিপক্ষে ম্যাচটা খেলেই দেশের পথে উড়াল দিচ্ছেন প্রোটিয়া এই ব্যাটসম্যান।
ডি ভিলিয়ার্সের কাছে পরিবারের গুরুত্ব যে সবার আগে তা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ছাড়ার প্রাক্কালেই ব্যাখ্যা করেছিলেন। সোমবার রংপুরকে জয় পাইয়ে দেওয়া ইনিংস খেলে সংবাদ সম্মেলনে পুরনো কথাই মনে করিয়ে দিলেন সবাইকে, ‘আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে বিদায় নেওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ ছিলো ব্যস্ত সিডিউল। এজন্য আমাকে ক্রিকেট পরিবারের মাঝে একটিকে বেছে নিতে হতো। আমি পরিবারকে বেছে নিয়েছি। ভালোভাবে তাদের সঙ্গ উপভোগ করছি। পরিবারই আমার জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার।’
বিপিএলে শুরুর দিন রান ছিলো তার ব্যাটে। গত চার ম্যাচে যথাক্রমে ৩৪, ৪১, ১ ও অপরাজিত ১০০ রানের ইনিংস খেলেছেন। সোমবার তার ১০০ রানে ভর করে রংপুর ম্যাচ জিতলেও এই ইনিংসকে সেভাবে বড় করে দেখছেন না, ‘সত্যি কথা বলতে আজকের সেঞ্চুরি আমার কাছে খুব বেশি গুরুত্ব বহন করছে না। আমি খেলাটা শেষ করতে পেরে খুশি। চেয়েছিলাম অপরাজিত থেকে যেন ফিরতে পারি। সেটা করতে পেরেছি। এজন্য আমি আনন্দিত।’
সংবাদ সম্মেলন শেষ করার আগে ক্রিস গেইলকে নিয়ে প্রশ্ন আসে তার কাছে। আপনাদের ব্যাটিং দানব রানে নেই, দলের জন্য বিষয়টা কতটুকু হতাশার? হাসি মুখে ডি ভিলিয়ার্স বললেন, ‘আপনারা ওকে চেনেন। সবচেয়ে বড় ব্যাপার হলো সামনে ফাইনাল, সেমিফাইনাল। এই খেলায় তাকে নিয়ে ভাবার কিছু নেই। খুব শিগগিরই সে একটা সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে দেবে।’