ওয়েলিংটনে টস জিতে ভারতের ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়াটা কতটুকু কার্যকরী ছিলো তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে তাদের শুরুর ব্যাজে ব্যাটিংয়ে। ১৮ রানে সাজঘরে ফিরে যান অভিজ্ঞ রোহিত শর্মা, শিখর ধাওয়ান, শুবমান গিল ও মহেন্দ্র সিং ধোনি। এত অল্পতে অভিজ্ঞরা ফিরে যাওয়ায় বিপদেই পড়ে গিয়েছিলো ভারত। সেখান থেকে তাদের উদ্ধার করেন আম্বাতি রাইডু। তার ৯০ রানের দৃঢ়চেতা ইনিংসে ২৫২ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর পায় সফরকারীরা।
বিপদ উত্তরণে তার সঙ্গী ছিলেন বিজয় শঙ্কর। বিদায় নেওয়ার আগে করেন ৪৫ রান। এছাড়া শেষ দিকে কেদার যাদবের ৩৪ ও হার্দিক পান্ডিয়ার ৪৫ রানের লড়াকু ইনিংসে ৪৯.৫ ওভারে গুটিয়ে যাওয়ার আগে তারা সংগ্রহ করে ২৫২ রান।
ম্যাট হেনরি ৩৫ রান দিয়ে নেন সর্বোচ্চ ৪ উইকেট। ট্রেন্ট বোল্ট ৩৯ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন।
এর জবাবে নিউজিল্যান্ডও খুব আহামরিভাবে জবাব দিতে পারেনি। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে তারা ৪৪.১ ওভারে গুটিয়ে গেছে ২১৭ রানে। অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনের ৩৯ রানের পর মিডল অর্ডারে টম ল্যাথাম ৩৭ আর জেমস নিশাম ৪৪ রান করে লড়াই করার মানসিকতা দেখালেও লম্বা ইনিংসের প্রতিরোধ ছিলো না ব্যাটসম্যানদের।
যুবেন্দ্র চাহাল ৪১ রানে নিয়েছেন ৩ উইকেট। দুটি করে নেন মোহাম্মদ শামি ও হার্দিক পান্ডিয়া। ম্যাচসেরা হন ১০ রানের জন্যে সেঞ্চুরি বঞ্চিত হওয়া রাইডু। সিরিজসেরা ৯ উইকেট নেওয়া শামি।