প্রথম সেশন শক্ত প্রতিরোধে কাটিয়েছে বাংলাদেশ। সৌম্য সরকারের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি ও মাহমুদউল্লাহর হাফসেঞ্চুরিতে তারা লাঞ্চে যায় নির্বিঘ্নে। ১৭১ বলে ১৪৯ রান করে ফেলা সৌম্যকে ভেতরে ঢুকে পড়া বলে পরাস্ত করলে ভেঙে যায় ২৩৫ রানের হুমকি হয়ে দাঁড়ানো জুটি।
ওয়ানডে সিরিজে রানের দেখা পাচ্ছিলেন না সৌম্য সরকার। টেস্ট সিরিজে তিনি রান খরা মেটালেন দেশের হয়ে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ডে ভাগ বসিয়ে। কিউদের শর্ট লেন্থ ও বডি লাইনের আক্রমণ তুচ্ছ করে মারমুখী ছিলেন দিনের শুরু থেকে।
শুরু থেকে কিউইদের ওপর চড়াও হয়ে খেলতে থাকেন তিনি। শুরুতে তুলে নেন টেস্ট ক্যারিয়ারের পঞ্চম হাফসেঞ্চুরি। পরে অবশ্য আরও আগ্রাসী হয়ে তুলে নেন ক্যারিয়ারের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরিও। ৯৪ বলে সেঞ্চুরি তুলে নেন। তার বিদায়ের পর পর সাজঘরে দ্রুত ফেরেন লিটন, মিরাজ ও আবু জায়েদ। তবে অপরপ্রান্ত আগলে ক্যারিয়ারে চতুর্থ টেস্ট সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ। লড়াকু মেজাজে ব্যাট করছেন ১৪১ রানে।
বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে ২৩৪ রানে অলআউট হলে জবাবে ৬ উইকেটে ৭১৫ রানে প্রথম ইনিংস ঘোষণা করলে নিউজিল্যান্ড লিড পায় ৪৮১ রানের। তৃতীয় দিন বাংলাদেশ আক্রমণাত্মক শুরু করেছিলো তামিমের ব্যাটে। কিন্তু তামিম ৭৪ রানে বিদায় নিলে দিনের শেষ দিকে বিপদে পড়ে সফরকারীরা। সেখান থেকে ২৩৫ রানের অনবদ্য জুটি গড়ে বাংলাদেশকে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন সৌম্য ও মাহমুদউল্লাহ মিলে।