টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে পাঠালে সফরকারীরা ৮ উইকেটে দাঁড় করায় ২৯৫ রান। দুই ওপেনারে শুরুটাও ছিল দারুণ। তানজিদ হাসান ও পারভেজ ইমন ৭১ রানের জুটি উপহার দিয়েছেন। তানজিদ ফিরেছেন ৫১ রানে আর পারভেজ ৫৫ রানে।
গুরুত্বপূর্ণ এ জুটি ভাঙলে মিডল অর্ডারে তৌহিদ হৃদয় আর আকবর আলীর দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে স্কোর বোর্ড সমৃদ্ধ হয়েছে বাংলাদেশের। বাকিরা খুব বড় ভূমিকা রাখতে পারেননি।
তৌহিদ ফিরে গেছেন সর্বোচ্চ ৭৩ রান করে। তবে অধিনায়ক আকবর ঝড় তুলেছিলেন শেষ দিকে। ৪৪ বলে ৮টি চার ও ২ ছক্কায় উপহার দিয়েছেন ৬৬ রানের দুর্দান্ত ইনিংস। তার বিদায়ের পর অভিষেক দাস ও তৌহিদ দ্রুত কিছু রান তুললে ৮ উইকেটে ২৯৫ রান তুলতে পারে বাংলাদেশের যুবারা। শেষ দিকে তৌহিদ ৭৩ রান করে ফিরেছেন।
বার্ট সার্টক্লিফ ওভালে আগের তিন ম্যাচের তুলনায় এই ম্যাচে ব্যাট হাতে খুব বেশি দাপুটে ছিল কিউইরা। তবে বাংলাদেশ জয়ের জন্য তাদের আটকে রাখতে পেরেছিল শেষ ওভার পর্যন্ত।
শুরুতে যুবারা ৯ রানে প্রথম উইকেট তুলে নিয়ে ভালো শুরুর আভাসও দিয়েছিলেন। কিন্তু দ্বিতীয় উইকেটে কিউইরা প্রতিরোধ গড়লে এই জুটি গড়ে দেয় জয়ের মঞ্চ। ওপেনার ওলি হোয়াইটকে ৪৫ রানে বিদায় দিয়ে জুটি ভেঙেছেন আসাদুল্লাহ গালিব। এই জুটি ভাঙার পর সর্বোচ্চ ৭৬ রান করে ফিরে গেছেন লেল ম্যান। এরপরেও কক্ষপথে ছিল কিউইরা।
জয়ের জন্য বাকি কাজটুকু সেরেছেন অধিনায়ক তাশকফ। তার ব্যাটে ভর করেই ৪৯.১ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে জয় নিশ্চিত করেছে নিউজিল্যান্ড। কিউই অধিনায়ক ৬৬ রানে অপরাজিত ছিলেন।
বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ৩টি উইকেট নিয়েছেন আসাদুল্লাহ গালিব। একটি করে শরিফুল ইসলাম ও অভিষেক দাস।