‘দিবা-রাত্রির টেস্টে প্রভাব ফেলতে পারে শিশির’

বাংলাদেশ-ভারতের দিবা-রাত্রির টেস্টের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন শচীন। ভারত সফরে তিনটি টি-টোয়েন্টিসহ দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টটি হবে দিবা-রাত্রির। দুই দলই প্রথবার খেলতে যাচ্ছে গোলাপি বলের এই টেস্ট। ভারতের সাবেক অধিনায়ক শচীন টেন্ডুলকার এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানালেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন শিশিরের প্রভাব নিয়ে।

পিটিআইকে শচীন বলেছেন, ‘এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানাতেই হয় যতক্ষণ না শিশির কোনো প্রভাব ফেলে।’

তার এমন মন্তব্যের পেছনে যুক্তিও আছে। বল সিক্ত থাকলে সমস্যাটা হবে বোলারদের। স্পিনার বা পেসার উভয়ের জন্যে কন্ডিশন হয়ে দাঁড়াবে চ্যালেঞ্জিং, ‘শিশির যদি ফ্যাক্টর হয়েই দাঁড়ায় তাহলে তা পেসার, স্পিনারদের জন্য চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়াবে। কারণ একবার বলটি ভেজা অবস্থায় থাকলে পেসার বা স্পিনার সেভাবে কিছু করতে পারবে না। তেমনটি হলে বোলাররা পরীক্ষার মুখে পড়বে। তবে শিশির না থাকলে সেটা হবে ভালো কিছু।’

দিবা-রাত্রির টেস্টটি মাঠে গড়াবে নভেম্বরের ২২ তারিখ। সময়টা শীতকাল বলেই শিশিরটা থাকবে নিশ্চিতভাবে। তেমন হলে কন্ডিশনটি ব্যাটসম্যানদেরই সুবিধা দেবে বেশি। শচীন মনে করেন, ‘আমার মনে হয় এখানে কিন্তু শিশির বড় একটা ভূমিকা রাখবে। আমাদের দেখতে হবে তার পরিমাণটা কেমন। এই শিশিরই নির্ধারণ করে দেবে দুই দল কতটুকু প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে।’

তবে শচীন মনে করেন দিবা-রাত্রির টেস্টের ধারণাটা ক্রিকেট ভক্তদের জন্য দারুণ কিছু। কারণ, ‘এটা ভালো একটা ধারণা, কারণ ভক্তরা কাজের সময়ের পর খেলাটা দেখতে পারবে। এমনকি অনেকে সন্ধ্যায় মাঠে আসতে পারবে, উপভোগও করতে পারবে।’