দিন শেষে মুমিনুল বলেছেন, ‘দেখুন শুরুতে টস জিতে ব্যাটিং নিয়েছি। যদি রানটা ভালো হতো তাহলে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্তটা সঠিক বলে বিবেচিত হতো। শেষ পর্যন্ত ১৫০ রান করতে পেরেছি। মনে হয় দোষটা আমার। যদি আরও কিছু রান করতে পারতাম। মুশফিক ভাইয়ের সঙ্গে জুটিটা বড় করতে পারতাম তাহলে আরও রান আসতো। আমাদের অবস্থানটা আরও ভালো হতো।’
হোলকার স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে গুটিয়ে গেছে ১৫০ রানে। টপ অর্ডার ব্যর্থ হলেও দলের মূল প্রতিরোধ ছিল অধিনায়ক মুমিনুল আর মুশফিকুর রহিমেরই। দু’জনের জুটিতে উঠেছে সর্বোচ্চ ৬৮ রান। মুমিনুল ৩৭ রানে বোল্ড হয়ে ফিরে যান অশ্বিনের ঘূর্ণিতে।
ভারতের বোলারদের সামনে ব্যাটসম্যানরা পুরোপুরি ব্যর্থ হলেও মুমিনুল জানালেন, ‘উইকেট কিন্তু ব্যাটিংয়ের জন্য খারাপ ছিল না। যদি তেমনটি হতো তাহলে কিছু ডেলিভারি ব্যাটসম্যান অথবা অন্য কোথাও আঘাত হানতো। আমাদের ইনিংসে তেমন কিছু হয়নি। মাঝখানে আমি ও মুশফিক ভাই কিছু রান তুলতে পেরেছি। উইকেট খেলার মতোই ছিল।’
ব্যাটসম্যানরা কেন ব্যর্থ তার একটা ব্যাখ্যা দিয়েছেন মুমিনুল, ‘আমাদের স্কোরটা বড় হয়নি কারণ আমরা বাজে কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। অথবা আমরা মনোযোগ হারাতেই এমন হয়েছে।’
ভারত যেখানে তিনজন পেসার নিয়েছে সেখানে বাংলাদেশ বাদ দিয়েছে মোস্তাফিজকে। তার বদলে একজন অতিরিক্ত ব্যাটসম্যান নিয়ে খেলেছে সফরকারীরা। এর ব্যাখ্যায় মুমিনুল বলেন, ‘আমরা সব সময়ই একাদশে একজন বাড়তি ব্যাটসম্যান নিয়ে খেলার পক্ষে। তাই দুজন পেসার হিসেবে রাহী আর এবাদতকে রেখেছি। ওরা সম্প্রতি চার দিনের ক্রিকেট খেলেছে। তাই মোস্তাফিজের বদলে ওদেরকেই বেশি প্রাধান্য দিয়েছি।’