তৃতীয় আসরে নিজের প্রথম ম্যাচেই চট্টগ্রামে ঝড় তুলেছেন পাকিস্তানি এই অল রাউন্ডার। ২২ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বিপর্যস্ত সিলেটের হাল ধরেন আফ্রিদি। তার ব্যাটিং তাণ্ডবে ভেঙে পড়া স্কোর বোর্ড সহজেই জোড়া লাগে। শেষ পর্যন্ত সিলেট ৯ উইকেট হারিয়ে ১৩৯ রান সংগ্রহ করে।
স্বদেশি মোহাম্মদ আমিরের বল লাইন মিস করাতে ক্লিন বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফেরেন আফ্রিদি। তার আগে অবশ্য দুই বার তাসকিনের কারণে বেঁচে যান হার্ডহিটার এই ব্যাটসম্যান। ১২ রানে জীবন পাওয়া আফ্রিদি তার ইনিংসটি নিয়ে যান ৬২ রানে। ৪১ বলে ৪ ছয় এবং ৫ চারে তিনি তার ইনিংসটি সাজিয়েছেন।
তিনি ছাড়া সিলেটের আরও কোন ব্যাটসম্যানই বড় স্কোর গড়তে পারেননি। মুশফিক কোনও কিছু বুঝে ওঠার আগেই তাকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলে সাজঘরের পথ দেখিয়ে দেন তাসকিন আহমেদ।
দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান এসেছে আরেক পাকিস্তানি পেসার সোহেল তানভীরের (১৭) ব্যাট থেকে। শেষ দিকে রাজ্জাক ও শহীদের ব্যাটিংয়ে স্কোর বোর্ড কিছুটা সমৃদ্ধ করতে পারে সিলেট।
চিটাগংয়ের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ ২টি উইকেট নিয়েছেন শফিউল ইসলাম। এছাড়া তাসকিন আহমেদ, মোহাম্মদ আমির, আসিফ হাসান ও বিলওয়ালা ভাট্টি প্রত্যেকে একটি করে উইকেট নিয়েছেন।
/আরআই/এফআইআর/