বাংলাদেশের সঙ্গে টেস্ট খেলবে না আয়ারল্যান্ড

i

টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়ার দুই বছরের মাথায় আর্থিক সঙ্গতি হারিয়ে ফেলেছে আয়ারল্যান্ড! এমনটাই দাবি তাদের। ঘরের মাঠে আগামী বছরের গ্রীষ্মে বাংলাদেশের সঙ্গে খেলার কথা ছিল তাদের দ্বিতীয় হোম টেস্ট। আর্থিক সমস্যায় সেই টেস্টটি বাতিল করেছে আয়ারল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড।

২০১৭ সালে আইসিসির পূর্ণ সদস্য পদের মর্যাদা পায় আয়ারল্যান্ড। ঘরের মাঠে মালাহাইড ২০১৮ সালে অভিষেক টেস্টটি খেলে তারা। দ্বিতীয় টেস্টটি খেলার কথা ছিল বাংলাদেশের সঙ্গেই। সফরে একটি টেস্টের সঙ্গে তিনটি ওয়ানডে ও তিনটি টি-টোয়েন্টি খেলার কথা ছিল। কিন্তু ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় টেস্টের বদলে একটি টি-টোয়েন্টি খেলতে রাজি আইরিশরা।  আয়ারল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড বলছে, টেস্ট আয়োজনে খরচ হবে ১.১৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

আয়ারল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান নির্বাহী ওয়ারেন ডিউট্রম জানিয়েছেন, আইসিসি থেকে কাঙ্ক্ষিত তহবিল পাচ্ছে না তারা। তাই  ২০২০ সালের প্রস্তাবিত সূচি রক্ষা করতে পারছে না ঠিকমতো। একই সঙ্গে ঘরের মাঠে ম্যাচ আয়োজনে খুব বেশি খরচ ও ম্যালাহাইডে অস্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণে আর্থিকভাবে হিমশিম খাচ্ছে আয়ারল্যান্ড। এসব কারণে আপাতত সাদা বলের ক্রিকেটে বেশি মনোযোগ দিতে আগ্রহী দেশটির ক্রিকেট বোর্ড, ‘২০২০ সালে প্রথমে বেশি প্রাধান্যের জায়গা হলো লাল বলের চেয়ে সাদা বলের ক্রিকেট। সব আইরিশদের মতো আমরা তিনটি ফরম্যাটে খেলতে পারলে খুব খুশি হতাম। কিন্তু দুর্ভাগ্য যে আমাদের আর্থিক অসঙ্গতিতে আগামী বছরের হোম টেস্টটি বাতিল করতে হয়েছে।’

বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে আগামী বছর সীমিত ওভারের সিরিজ রয়েছে আয়ারল্যান্ডের। এছাড়া পাকিস্তানকে দুটি টি-টোয়েন্টিতেও আতিথ্য দেবে তারা। সীমিত ওভারের ক্রিকেটে তারা এসব সিরিজকে প্রাধান্য দিতে রাজি সামনের বিশ্বকাপগুলোর কারণে। তবে আফগানিস্তানের বিপক্ষে প্রস্তাবিত টি-টোয়েন্টি সিরিজটি বাতিল করেছে আয়ারল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড। ডিউট্রম এ প্রসঙ্গে নিজেদের যুক্তি উপস্থাপন করে বলেছেন, ‘বাংলাদেশ আর নিউজিল্যান্ড গুরুত্বপূর্ণ ওয়ানডে সফরে এখানে আসবে। এসবের সঙ্গে টি-টোয়েন্টি বাড়ানোটা যুক্তিযুক্ত। একইভাবে পাকিস্তান টি-টোয়েন্টির এক নম্বর দল। এছাড়া বেশ কয়েক বছরে সফরকারী দল হিসেবে তাদের জনপ্রিয়তা টের পাওয়া গেছে। তবে আফগানিস্তানকে জানিয়ে দিয়েছি ৫টি টি-টোয়েন্টির জন্য তাদের আতিথ্য দিতে পারছি না।’