বিপিএলে প্রাইজমানি নেই, ক্রিকেটাররা হতাশ

519A0994ফ্র্যাঞ্চাইজি টি-টোয়েন্টি লিগ মানেই অর্থের ঝনঝনানি। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগও (বিপিএল)ব্যতিক্রম ছিল না! কিন্তু এবার ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোকে বাদ দিয়ে বিসিবি নিজ উদ্যোগে বঙ্গবন্ধুর নামে বিশেষ বিপিএল আয়োজন করেছে। এবার চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ দলের জন্য কোনও প্রাইজমানি রাখেনি বিসিবি।

বঙ্গবন্ধুর নামে বিশেষ এই বিপিএলের হয়ছে জমকালো উদ্ধোধনী অনুষ্ঠান ।ক্রিকেটাররা তখন মনে করেছিলেন , পারিশ্রমিক এবার কম থাকলেও অন্য সবকিছু ঠিকই থাকবে। কিন্তু শেষ পর্য়ন্ত  তারা দেখছেন জাতির জনকের নামের টুর্নামেন্টে প্রাইজমানি নেই। এতে হতাশ হয়েছেন ক্রিকেটাররা ।

শুক্রবার ফাইনালের মধ্য দিয়ে বিপিএল এর সপ্তম আসরের পর্দা নামবে। সন্ধ্যা ৭টায় মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে খুলনা টাইগার্স ও রাজশাহী রয়্যালস ।  তার আগে বৃহস্পতিবার  দুই দলের অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম ও আন্দ্রে রাসেল সোনালি রঙের ট্রফি উন্মোচন করেন। ট্রফি এসেছে সুদূর ইংল্যান্ড থেকে , বানিয়েছে ইয়ংকারম্যান। 

বিপিএলের সপ্তম আসরে চ্যাম্পিয়ন দলকে শুধু ট্রফি নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হবে। আগের ছয় আসরেই ট্রফির পাশাপাশি প্রাইজমানি ছিল। এবার  থাকছে শুধু ট্রফি। আর রানার্সআপ দল বিপিএল শেষ করবে শূন্য হাতে । দলগুলোর পরিচালনাভার বিসিবির হাতেই ছিল বলে প্রাইজমানি দেওয়া হচ্ছে না বলে জানা গেছে । যদিও ফ্র্যাঞ্চাইগুলোর অবর্তমানে প্রতিটি দলেরই ছিল স্পনসর । কিন্তু বিপিএলের দলগুলোকে বিসিবি নিজেদের দল দাবি করে প্রাইজমানি দিচ্ছে না।

এ প্রসঙ্গে বিপিএলের সমন্বয়ক সাইফুল মানব বলেছেন, ‘এবার কোনও প্রাইজমানি দেওয়া হবে না। সবগুলো দলই তো বোর্ডের। বোর্ড সবগুলো দল চালাচ্ছে। শুধু দল পরিচালনার জন্য স্পনসর নেওয়া হয়েছে। তাই প্রাইজমানি থাকছে না।’

শুধু প্রাইজমানিই নয়, ফাইনালে ম্যাচসেরার পুরস্কারের অর্থও বাড়ছে না । বিপিএলের প্রতি ম্যাচে ম্যাচসেরার পুরস্কার হিসেবে দেওয়া হচ্ছে ৫০০ ডলার । ফাইনালেও একই অঙ্কের অর্থ পুরস্কার থাকছে ম্যাচসেরা খেলোয়াড়ের জন্য। টুর্নামেন্টসেরার পুরস্কার ১ হাজার ডলার, সঙ্গে টিভিএস কোম্পানির মোটরবাইক।

অথচ গতবার চ্যাম্পিয়ন দল পেয়েছিল ২ কোটি টাকা। রানার্সআপ দল ৭৫ লাখ টাকা। ফাইনালের ম্যাচসেরা ক্রিকেটার পেয়েছিলেন ২ হাজার ডলার। আর টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় পেয়েছিলেন ৫ হাজার ডলার।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ফাইনালে ওঠা একটি দলের এক ক্রিকেটার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছেন, ‘বিষয়টি খুব স্পর্শকাতর। এতটুকু বলতে পারি, এই ধরনের টুর্নামেন্টে প্রাইজমানি থাকা খুব দরকার ছিল । না থাকাটা হতাশাজনক, সেটা যে কারণেই হোক।’